Skip to main content

Posts

গীতা

অম্বরীশের বাবার ফলের দোকান‌ ছিল। সেখানে আজ‌ জংলা গাছের আস্তানা। এই পথে অম্বরীশ আজও হাঁটে  যাতে জীবন জীবিকা নিয়ে আস্থা না  দুর্বল হয়ে পড়ে দিনকে দিন। দিনকাল ভালো যাচ্ছে না।  তাই মোটামুটি এক্সিট প্ল্যান একটা তৈরী করেই নেওয়া ভালো। তাতে মনের দায়িত্বভার কমে। ওরা তো মরেই আছে, তুমি তো নিমিত্ত শুধু – এইসব গীতা পড়ে গিলে নিতে হয়। মনের দায়িত্বভার কমে। ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
Recent posts

The Appartment of Many Colours

  Every house has a corner of sadness. The moment you step into its periphery, you can smell it. It seeps into your skin, telling you that you need to shake off your jovial self for a moment and embrace it for a while. Fortunately for me, it is not inside my apartment. It is waiting for me when I open the door at five in the evening to fetch drinking water from the municipal tap. It is immediately there, outside, beneath the staircase in the common passage. It spreads from there all the way to the collapsible gate, which I have to open before I can step out and turn on the tap. The reverse is also true. Every house has a corner where, the moment you breathe in, you feel happy. The sofa in my drawing room is that place. It is bright and relaxing, a place where I can close my eyes and feel that the pain is gone, the sun is still bright even on an overcast day, or sleep is tender. I think I should put a reading and writing table nearby so that I can write in a jovial light, one that m...

মণীন্দ্র গুপ্ত

এই নামটার সঙ্গে আমাকে পরিচিত করে দিয়েছিলেন সাম্প্রতিককালে আনন্দ পুরস্কার প্রাপ্ত একজন লেখক – Parimal Bhattacharya । তখন তিনি যথেষ্ট পরিচিত; কিন্তু তেমন সেলিব্রিটি লেখক নন। তাই প্রায়ই যেতে পারতাম ওঁর ওয়েলিংটনে মৌলানা আজাদ কলেজের ইংরেজি বিভাগের ঘরে। মনে আছে, প্রথম আলাপে ডিমের অমলেট আর চা খাইয়েছিলেন। সেবারই শুনি "অক্ষয় মালবেরি"-র কথা। বললেন, পড়েছ? আমি বলি, না তো। উত্তরে বললেন, আমার পড়া মনে রাখার মত লেখা। আমি তখনও "অপুর দেশ", "দার্জিলিং" – এইসব বই নিয়ে ওঁর সাথে কথা বলতে আগ্রহী। বলি – নিশ্চয়ই, পড়ে ফেলব।  তখন অ্যাক্সেঞ্চারে কাজ করি। পরিমলবাবুর অনেক বই যেমন আমার নাইট শিফটে পড়া, তেমনই মণীন্দ্র গুপ্ত। "অক্ষয় মালবেরী" পড়ে পরিমলদাকে বলেছিলাম, এর দ্বিতীয়ার্ধ তেমন নয়। অনেকটাই অতিকথন, পুনরাবৃত্তি আর কাব্যময়তার জন্য উৎরে গেলেও একটা ওভাররেটেড বই। উত্তরে পরিমলদা বলেছিলেন, এই বই আসলে বাংলা গদ্য পড়া নিয়ে একটা মুগ্ধতার দলিল। এরপরে অবভাস থেকে ওঁর উপন্যাস সমগ্র বের হওয়ার পরে পড়েছি "আলতামসী" বা "প্রেম, মৃত্যু, কি নক্ষত্র"-এর মতো ...

A Post Pujo Conversation

Hey, just saw your post. We look good together, no? Yeah, we do. But we can't. Why? Because, according to the BNS, any kind of... What the...! Cut the crap, bro! You approached me, remember? You're the one who stalked me and texted me first. I cropped your photo after I met you at that guided Bonedi Bari walk during Pujo. And you cropped our photo! I knew you'd claim it's our photo too. Of course I do. Look, I have a daughter. But still, I must have looked good at first sight. Otherwise, why would you, the quietest backbencher-lookalike guy, text me privately? You could've asked whatever you wanted in the main group. Because I thought we could talk. We could talk in the group. And we're doing that now as well. Well, in private, thanks to your creepy, cringey, lecherous self. Don't call me that. And you, don't remind me that I have a daughter. I didn't. You did. You did ask my age. It was an innocent question. Everything is innocent until you're o...

দশমী

  খুব ভালো থাকতে নেই। তাতে ভালো থাকাটা চলে গেলে, অবশ্যম্ভাবী ভাবে স্বাভাবিক থাকাটা বোঝা বলে মনে হয়। অনেকেই বলেন, অ্যালকোহল নেওয়ার পরে পরের দিন হ্যাংওভার থাক বা না থাক,‌ সকালে বেশ মন খারাপ লাগে। কেন হয়? খুব স্বাভাবিক হরমোন ঘটিত কারণে। সহজে পেয়ে যাওয়া ডোপামিন আমাদের আনন্দকে যেমন তুঙ্গে নিয়ে যায়, তেমন তার জোগান শেষ হলে চারপাশটা যতটা বেরঙিন, তার চেয়ে অনেক বেশি বেশি খালি খালি লাগে। আজ দশমী। সকালে ঘুরে এসেছি মুদিয়ালি, শিবমন্দিরের মত ওদিকের কিছু পুজো। লোকগান, বাদ্য, নৃত্য আমার তেমন ভালো লাগেনা। তবে মুদিয়ালি মণ্ডপের বাইরে ধামসার তালবাদ্য শুনে থমকে গিয়েছিলাম মিনিট পাঁচেক। সন্ধ্যেবেলা আবার বেরিয়েছিলাম। আমারই বাড়ির তিন-চার কিলোমিটারের মধ্যে কিছু পুজো হেঁটে দেখব বলে। সে সব হল। চিকেন মোমো খাওয়া হল। খাওয়া হল উৎকৃষ্ট মানের দার্জিলিং চা কাঁচের স্বচ্ছ কাপে। কিন্তু, তারপরেই হল বিপদ। এই সন্ধ্যেয় বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় যেটা মনে হয়নি, এবার সেটা আস্তে আস্তে মনে হতে শুরু হল। আলো ক্রমে নিভে আসছে। শব্দেরও তীব্রতা ততটা আছে কি? আমি জানি, এক ঘন্টায় হঠাৎ সব বদলে যায় না। আমারই দেখার ভুল, ভাব...

নবমী

  এবছরও পুজো প্রায় শেষ হয়ে এলো। বিগত চার, পাঁচ বছরের মধ্যে এবছরের পুজো আমার কাটানো সেরা পুজো। জানিনা কেন, গত কয়েক বছরে মনে মনে পুজোয় অনেক পরিকল্পনার পরেও সেটা ঠিকঠাক করে উঠতে পারিনি। সেটা খানিকটা নিজের দোষে, খানিকটা প্রকৃতির বা অন্যান্য কারণে।‌ এবারের পুজোটা অন্যরকম কেটেছে; বলা ভালো, অনেকদিন পর নিজের মনের মতন কেটেছে। যেসব পুজোমণ্ডপে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল, তা মোটামুটি পেরেছি। রাস্তায় ভিড় ছিল। ঘামছিলাম। মেট্রোতেও কিছুটা ঠেলাঠেলি করতে হয়েছে ঠিকই। কিন্তু সব মিলে কোথাও অসুবিধে তেমন হয়নি। আড়বেলিয়া ও ধান্যকুড়িয়ার জমিদার বাড়িগুলোর পুজো দেখতে গিয়েছিলাম সপ্তমীতে। সেদিনই একটু শারীরিকভাবে ক্লান্ত লাগছিল। বাকি দিনগুলো তেমন নয়। এমনকি আজও বাগবাজারের পুজো, শোভাবাজার রাজবাড়ির পুজো দেখতে দেখতে বারবার মনে হচ্ছিল, এ বছর আর পুজো দেখা নিয়ে কোন আফসোস রইল না। প্রতিমার সামনে বেশ খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে আনয়ন দেখতে পেরেছি। অর্গানাইজড রিলিজিয়নে বিশ্বাস করিনা। কিন্তু ঈশ্বরে ও প্রার্থনায় করি। প্রার্থনা সব সময় শোনা যে হয়, তা নয়। কিন্তু সে কারণ আমাদের বোধগম্যতার বাইরে, এই দৈবে আজ আমি আস্থা রাখি। তা...

অষ্টমী

  বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের মধ্যে যেটুকু ব্যাবধান, অষ্টমী আর নবমীর সন্ধিপুজোর মধ্যেও তাই। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বেশ খানিকটা যেন বদলে গেল। তোমাকে এতদিন নিজের জানতাম, বন্ধু বলে ভাবতাম। এখন ঘনীভূত হচ্ছে সন্দেহ। এক মুহূর্তে মনে হচ্ছে, এতদিন তুমি যা ছিলে আমার কাছে, সেই ইতিহাসটা ভুল। তোমার একটা কথা, একটা আচরণ তোমার সমস্ত অতীতকে আমার কাছে ঘেঁটে দিয়েছে। পুজো নিয়ে আমাদের যে পাগলামিটা এই অষ্টমী অবধি চলছিল ছিল তার আলোটা এখন একটু নিষ্প্রভ। পুজো-পুজো ভাবটা তুঙ্গে ছিল; এবার হঠাৎ ফিকে হচ্ছে। মনে হচ্ছে, আর তো মাত্র একটা দিন, বা মেরে কেটে দেড়। সেসব না হয় একটু পরে হবে। আপাতত ভোর ভোর প্রস্তুতি। কারণ, অঞ্জলির সময় এবার অনেকটাই সকালে। স্নান, পাঞ্জাবি বা শাড়ি পড়া, মেক-আপ, এসব অনেক কিছু বাকি আছে। তারপর কোনোরকমে একটা পুজোর ছাপ কপালে লাগিয়ে, বাড়িতে এসে কবজি ডুবিয়ে অষ্টমীর সকালের খাওয়া। পুজো মণ্ডপ বাড়ির কাছে হলে আবার মণ্ডপে খানিক গল্প, আড্ডা, চোখে চোখের মত আরো খানিক নিভৃত বা প্রকাশ্য উদযাপন। দুপুরে লুচি ভোগ। তবে আমার প্রিয় পাড়ায় খিচুড়ি বা পোলাও, সাথে বেগুন ভাজা, একটু ঝুরি আলুভাজা, লাবড়া, সম্ভব হল...