Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2022

An Afternoon with Bernard in Park Street

  On several occasions, I wrote about how Park Street and its surroundings are going through a silent cultural degeneration. As a Brownigian optimist, I have no qualms in accepting the inevitable change which a few love to label as ‘the only constant. I have an augmented version of the story. For me, harmony is the only constant; coexistence is the only constant. This is what still makes Kolkata a liveable city, as my Messiah Anjan Dutt once wrote. Haripada, Mary Ann and Alibaba can live in the same locality despite any major strife. If any change signifies choosing something over the other, an evil over a lesser one, an imminent socio-economic disaster over an equilibrated identical existence, constantly attempting to get out of the comfort zone because there’s no limit to excel, I prefer not to take this route. I don’t adhere to a struggle which lets me down in the near term, doesn’t allow me to relish what I already have, and tires me when I am fifty because of its ephemerally i...

কীভাবে ভালবাসি?

কীভাবে ভালবাসি? অত বলে কয়ে নয়, জানান দিয়ে নয়। আড়ালে। অনেকটা নিজের মত করে। যখন ভালোবাসতে গেলেই ফেসবুক, ইনস্টায় জানান দেওয়া অপরিহার্য, প্রতি মুহূর্তে খবর নেওয়া অনিবার্য, ঘাড়ে ক্যামেরা ঝোলানো বা নিতান্ত একটা ফোনে নিখাদ ভালো ক্যামেরা থাকা একটা ন্যূনতম যোগ্যতার মাপকাঠি, তখনই তফাৎ-এ দাঁড়াব। রুমালে কপাল মুছে নেব গাড়ি কেনার মানসিক অযোগ্যতায়। হয়তো তুমি আজ কলামন্দিরে গাইবে। আমি জানাব না, যে আমি যাচ্ছি। কিন্তু যাব নিশ্চিত। এ সপ্তাহে নন্দন ৩-এ তোমার ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিং ছিল। তুমি জানতেও পার নি; আমি কিন্তু এসেছিলাম। চরিত্রের রসায়নগুলো বেশ জমেছে, হ্যান্ডহেল্ড শটগুলো তো বেশ ভাল। অথচ ক্লাইম্যাক্স জমে নি কিন্তু। আমাদেরও জমত না কোনদিন। আসলে কী বলত, ছিটকে পড়ছি। ক্রমাগত ছিটকে পড়ছি- আমাদের শ্রদ্ধার পারম্পর্যের থেকে, ভিন্নতার অধিকার থেকে, 'স্বপ্নে পাওয়া আঙুলের' আকর্ষের থেকে। কবিতা সিংহের কবিতার মত কোন বাসই এখন তেপান্তর কেন, নিদেন পক্ষে ময়দানেও যায় না। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কোন লোকেরই কাছে পৌঁছে যাওয়া খুব সহজলভ্য। যে অভিনেতাকে বারো বছর আগেও দূর থেকে দেখতে, ভয় পেতে অটোগ্রাফ চাওয়া...

সহজে

  যে যাওয়ার সে যাবেই। সমস্ত বিকেল দিয়ে কমলা বিষাদ কীই বা তাকে আটকাবে? অথচ কী থেকে যাবে? আবেগ নিকষ, দীর্ঘতর সারসের ঠোঁট, তান্ত্রিকের করোটি, কালা জাদু, জিভেতে কোলভা বীচ, নুন চকোলেট, স্ট্রবেরী - আগুন। আঁকশিতে ধরে কী বা পাবে? যে যাওয়ার, সে যাবে। ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আরও কিছু নীতি-পুলিশ

  এইমাত্র সকাল হল। টগর গাছের পাতা বুড়িয়ে যাওয়া মানুষের আঙুলের মত কাঁপছে। কয়েকদিন আগেই কলকাতায় শরত এসেছিল। সেসব আর কী! এখন শুধু ঘোলাটে আকাশ দেখছে ভেজা কাক। ময়লা ফেলার গাড়ি আজ খালিই চলে গেছে। ঘুম ভাঙেনি আমাদের।পাড়াতে নেড়া সবজির গাড়ি এসে পড়েছে আটটার আগে। আমার পঞ্চাশোর্ধ্ব প্রতিবেশিনী দরদাম না করে কোনদিন আলুও কেনেন না। কিন্তু তারও আজ দরদাম করার ইচ্ছে নেই বোধহয়। সবজিওয়ালা ভদ্রলোকেটি ওঁকে দু-একবার ডাকে। তারপর একা চলে যায়। আসলে কিছুই হচ্ছে না। কোন কোন দিন আশ্চর্য ঘটনাশূ্ন্য হয়ে যায়। আমাদের চারপাশের আওয়াজ, আলোড়ন, ট্র্যাফিক হর্ন, হাইওয়ের গুঞ্জন, রাস্তায় বিরোধীপক্ষের বিক্ষোভ - কিছুই আমাদের কাছে পৌঁছতে পারে না। অথচ, ঘটনাগুলো পৃথিবীতে হচ্ছে না, তা নয়। সবই নিয়মমাফিক ঘটে যাচ্ছে সময় সময়। ক্লায়েন্ট কলে চেঁচিয়ে যাচ্ছে সবাই, কারণ নতুন কোড কাজ করছেনা কিংবা আপগ্রেডেড ভার্সনে একগুচ্ছ bugs খুঁজে পাওয়া গিয়েছে,তাই। ওদিকে চেঞ্জ ম্যানেজারকে বাপান্ত করে চলেছেন প্রোজেক্ট ম্যানেজার। নবান্নের সামনে বিক্ষোভের রক্তের দাগ এখনও দগদগ করছে। অটো সেভ এনাবেলড্ না থাকায় দেড় হাজার লেখা শব্দ উড...

আমাদের অলীক জীবিকা

  কুকারের সিটির শব্দে মায়ের কথা মনে পড়ে। আমরা এখন জীবন্ত দুপুর - কোলস্য স্যান্ডউইচ, একটু কফি বা ম্যাগীর সুবাদে খুব লায়েক হয়েছি। এক একটা সবুজ আলোয় সকালে পাতে ছিল, অলীক এ সাদা ডিম কমলা, গায়ে অযত্নে খোসা- আলুর আদর ঘিয়ে মাখো মাখো জিভে সাপটে খাওয়া। এখন চিবোনো অথবা কি গেলো ... যা গেল, অন্ত্রে- পাকে বিপন্ন পাকস্থলীর আঁচে তা কি সমস্ত গেল? ২০ অগস্ট, ২০২২

হরিদ্বার - বুকে চিনচিনে ব্যথা

  এক একদিন এমনভাবেই আসে। রাস্তায় অযথাই সন্ধ্যেবেলা নান্দনিক গীটার বেজে ওঠে। বুকে চিনচিনে ব্যথা মনে করিয়ে দেয়,নতুন বছরের resolution ছিল, মদ খাওয়া কমাতে হবে। দিনে মাত্র দুটো সিগারেট, ব্যাস! পাশের টেবিলে যে দু'জন বসে আছে আজ ম্যাগস্-এ ওরা কি থাকবে কোনদিন এক ছাদের তলায়? অ্যামদাবাদ ছেড়ে আমেদাবাদ উচ্চারণ করতে শিখবে অতর্কিতে এই মেয়ে? বাঙলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায় কথা বলবেন কোন মিডিয়া চ্যানেলে এদের নিয়ে? পার্ক স্ট্রিটে সন্ধ্যে হলেই মনে পড়ে, কাল গণেশ পুজো। এখনও Accenture Kolkata বিশ্বাস করে, এইদিন floating leave অর্থাৎ ইচ্ছেমত ছুটিই যথেষ্ট। আমার পাড়ায় বেনিয়া সংস্কৃতির ও যাদের কালো টাকা লুকোতে ধর্মের আশ্রয় নিতে হয়, সেই লুম্পেনরা এটুকুই ভাবেন যে, গণেশই তাদের প্রাথমিক দেবতা। একসময় এ পাড়ায় তিনদিন ধরে আমরা সরস্বতী পুজো করতাম, গানবাজনা করতাম,কবিতা পড়তাম। সংস্কৃতে "আদিপূজিত পাদপংকজমাপদামপঘাতকম্" গাইলেই তখনই শিশু-কিশোর এরা বলত, "ভাই, একটু বলিউড হোক।" দীর্ঘসূত্র দিন, দুপুর, সন্ধ্যের অলীকযাপন। গতকাল রাতে হরিদ্বার থেকে ফিরেছি। যেখানে মাসে দুবার গেলেও মনে হত, হর...

Feminism

  গান শেখাতে গিয়ে অনেক সময়ই বলে থাকি যে তোমার গানের গলা আর কথা বলার গলার আওয়াজ- এ দুটো যতটা কাছাকাছি হতে পারে, ততই ভাল। তাতে কানের আরাম, প্রাণের আরাম। কিন্তু এ কথা তো ঠিক, কোন কিছু শিখতে গিয়ে আমরা সেই মানুষটির কাছাকাছি হয়ে উঠতে চাই যাকে আমরা শ্রদ্ধা করি ; যার থেকে সত্যি কিছু শিখি। আমরা তাঁকে দেখাতে চাই অজান্তেই, যে আমরা তাঁর সমকক্ষ হয়ে উঠতে পেরেছি কিংবা নিজেকে এই বিশ্বাসে ভোলাতে চাই হয়তো। আজ বিকেল বেলা হাঁটতে বেরিয়ে ছিলাম যথারীতি। বাঘাযতীন স্টেশনের প্লাটফর্মের উপর দেখলাম এক অদ্ভুত ব্যাপার। প্রায় ৫০ মিটার ব্যবধানে বসেছেন দুই সবজি বিক্রেতা। একজন মাঝ বয়সী পুরুষ হেঁকে চলেছেন, ''১ কেজি ১০ টাকা, ২০ টাকা -- ১ কেজি ১০ টাকা, ২০ টাকা'' আর কিছুক্ষণ পরপরই প্রায় একই রকম গলার একটা প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে অন্য সবজি বিক্রেতারটির কাছ থেকে। আমি প্রথমজনকে পেরিয়ে এগিয়ে যেতে যেতে দেখি, সামনের সবজি বিক্রেতাটি পুরুষ নন, তিনি মহিলা। তিনি এক নাগাড়ে পাল্লা দিয়ে হেঁকে চলেছেন প্রায় অবিকল একজন পুরুষের গলার আওয়াজে। যখন লিঙ্গ বৈষম্যের কথা ওঠে, পুরুষদের নারীসুলভ কিংবা মেয়েদের টমবয়...

Teachers' Day

  যখনই মনে হয়েছে কিছু শিখব তখনই এমন একজন শিক্ষক পেয়েছি, যাঁর কল্যাণে শেখাটা অত্যন্ত পরিশ্রমসাপেক্ষ হলেও উদ্যমের অভাব হয়নি এক ফোঁটাও। অনেকেই বলে থাকেন, একজন ভালো শিক্ষক নাকি বিষয়টাকে সহজ করে দেন। আমার শিক্ষকেরা আমাকে বুঝিয়েছেন, বিষয়টা কঠিন এবং সহজলভ্য নয় বলেই এত ইন্টারেস্টিং এবং এর পেছনে কিছুটা সময় এবং ভালোবাসা দেওয়া চলে। আমি দৈবে বিশ্বাস করি। ফরাসি, ইংরেজি, সৃজনশীল সাহিত্য, গান এবং সম্প্রতি শেয়ারবাজার - যেকোন বিষয় নিয়ে যখনই মনে হয়েছে জিনিসটাকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে দেখতে হবে, এমন মানুষ চলে এসেছেন আমার কাছে যাঁরা সেই বিষয়কে হাতের তালুর মতো চেনেন। কী বলবো একে দৈব ছাড়া? শিক্ষক দিবসে এসব কথা শুয়ে শুয়ে ভাবি, আর মনে হয় আমি কোনদিন নিবেদিতপ্রাণ ছাত্র হয়ে উঠতে পারিনি। আমার মধ্যে অনেক অভাব রয়েছে একাগ্রতার। এই 'একাগ্রতা' শেখানোর মতো একজন শিক্ষক যদি কোনদিন এভাবেই পেয়ে যাই... 5 October, 2021

Teachers' Day

  97% of what you learn is bounced knowledge, i.e. borrowed knowledge from someone, as one of the CNBC technical analysts posted this afternoon in his Instagram story. This actually makes sense. Learning occurs from various sources, even unknowingly from those which remain untraced for years. Then one evening when you're down with four pints of beer, you come across a solution for your failed marriage, despicable career, or intense midlife crisis. There you stay dumbfounded at the idea for a while and ask yourself, "What the hell did I get it from?" In my salad days, I learnt a poem of Sunirmal Basu by heart, which I later set to tune, "Akaash amay sikkha dilo udar hote bhai re" which roughly translates as 'the sky taught me to be generous.' The idea of learning from various sources isn't at all an exaggeration, nor admitting it is a sign of superficial humbleness. This idea echoed in many other songs by Tagore, Guru Gyan Prakash Ghosh et al...

কিছু না করা ও তো একটা করা

  কিছু না করা ও তো একটা করা দেখছি দুপুর দেখছি দশ বছরে পাল্টায় নি কিছুই স্কুল না যাওয়া কলেজ না যাওয়া অফিস না যাওয়া হেমন্তে গড়িয়ে যায় সরল মদ বিষণ্ণ চাংওয়াহ্ কিছু না হওয়াও তো একটা হওয়া। 29 October, 2020

Gratitude

  A few days back, one of my acquaintances asked if I could help him with a few affordable homestays/hotels near Nagarhole National Park. It was on his wishlist for a weekend trip from Bangalore. There is a constraint of budget too, so the ones he found over Google seem quite expensive. As per him, I would be the best one to suggest here, thanks to my inclination towards monthly or bi-monthly jaunts around India. I told him that unfortunately I had never been to Nagarhole but I would try out the best options available to me. Immediately I called up a friend who lives in Bangalore. He told me the same story- the hotels/homestays near Nagarhole charge exorbitant rates, especially during weekends, so a more affordable weekend destination would be Bandipur. Next, I did a few repetitive steps I always do whenever I am in limbo. I browsed at Makemytrip and set a filter regarding the budget. Among the results, I checked the distance between the homestays and Nagarhole National Park, cross...

আকাশকুসুম

  সমস্ত বিকেল যখন আলো করে বেজে উঠছে ট্রেনের হর্ণ, পৃথিবীজোড়া সমস্ত প্ল্যাটফর্মে হামলে পড়ছেন নিত্যযাত্রীরা, পাড়ার মন্দিরে জটলা হচ্ছেন ধার্মিকেরা খিচুড়ী প্রসাদের খোঁজে, তখনই যেতে হবে পবনদার দোকানে। কতরকমের বিকেলই তো আসে আর নষ্ট হয়। সময় নষ্ট করে কাটান আড্ডাবাজেরা। অনর্থক খালি পেটে স্তরের মত জমতে থাকে চায়ের নিভৃত আদর। চা ছাড়া চলবে কী করে? কী নিজস্ব এই নেশা, কতরকমের তার আদল। লিকার চা, দুধ চা, চিনি দিয়ে লিকার, চিনি ছাড়া দুধ চা। আরেকটু এগিয়ে গিয়ে গ্রীন টি, মকাইবাড়ী ; সাম্প্রতিক সংযোজন মধু দিয়ে চা, লেবু চা ইত্যাদি ইত্যাদি। এক একটা কাপ শেষ হতে থাকে ; ওহ্‌, না না। ভাঁড়। মাটির ভাঁড়ের সাথে চায়ের নিজস্ব আত্মীয়তা রয়েছে। একই চা তাই কাগজের কাপ আর মাটির ভাঁড়ে একরকম লাগে না। এমন চা পাগলদের কাছে রয়েছে অনেক আস্তানা। তবে পবনদার দোকান মানে তো শুধু চা নয় ; একটা আস্ত জীবনযাত্রার দিনলিপি। একা মানুষের কতরকম সকাল আসে প্রতিদিন। একএকদিন কেজো সকালগুলোতে যখন অলস ডানা তুমি খুলে তাকাচ্ছ ইতস্তত জানলার বাইরে, ভাবছ ‘কাজে যাওয়ার সত্যি দরকার আছে কি?’, ঠিক সেইসময়েই তোমার মনে পড়ে যাচ্ছে দু’পা এগোলেই স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে...

Miss you too

  I met him while strolling casually on mall road. My eyes were fixated at some distant Gorkha girl who was in her school uniform, looking debonair and inviting. Next, I video-called one of my friends to show how Darjeeling looks during monsoon when the clock at this heritage tower strikes 5:30 p.m, though it doesn't strike anymore. Right away, he joined me and said, "Hey, I want to talk to your friend." Then onwards, I started regretting why I couldn't spend my childhood in Darjeeling, perhaps at a boarding school like Anjan Dutt We kept in touch till he was heard no more. Sometimes our distant voice echoed over our intentional regrets, political turmoils of Gorkhaland or crisis of living alone. And our time still stands alienated and strikes at unforeseen hours. We used to talk because we believed in each other. This evening, he called me up and said, "I miss you." After a while, I saw this image in one of my acquaintance's WhatsApp story. Darjeeling!...

If Park Street is a museum of possibilities

  If Park Street is a museum of possibilities, a dream and a sad lyre of gradual decadence of a class that once aspired to think beyond its boundaries, its advocate and torchbearers are growing extinct. Free accessibility, an open-source medium, freedom to touch anyone or relish anything is often celebrated. For me, it is a curse. It goes contrary to the core of human aspiration and sense of achievement. Imagine a business without a barrier to entry, think of your idol being your roommate who cooks for you every day or a utopian boon to win a lottery whenever you want - do you get it? No chance (in French, this word also means ‘luck’) is unique unless there is a gatekeeper, an unavoidable obstacle, or an undesirable roadblock. It doesn't matter if you accept its presence. It is just there. It tells you - ‘Hold on mate, it’s not the time.’ Kick your ass off because to be worthy of someone’s object of attention, you got to be an eligible candidate. And there is a ruthless competition...

বিকেল একটি শান্ত পথের নামে

  বিকেল একটি শান্ত পথের নামে অফিস ফেরত গড়িয়ে যাওয়া ঘাম, যে পথ দিয়ে যাচ্ছে রোদের ফেরি সে পথেই না হোক, একটু থামালাম? আলোর প্রপাত ভাঙছে কমলা ফ্ল্যাটে সন্ধ্যে ছ'টা, এখন সময় হাজার হাঁটতে শেখে শহরতলী কারণ - কাল সকালেই করতে হবে বাজার। টেবিল চাটুক স্যান্ডউইচের মেয়ো ফিরুক গাড়ি, সকাল ঘরে জ্বলুক কাল তো আবার কলস্। এখন তবে ভদকা নেবে? বিয়ার? কফিই চলুক?

নিবু

  হয় নি। কিছুই হয় নি। তাই সমস্ত বদলে নিই, ভিতর কণিকা, অগম্য প্রার্থনার কাছে বসি। গলায় ফুলে ওঠে শিরার উপমা, হাতে কলম কেঁপে যায় স্নায়ুরা স্বপ্নে ঘেমে ওঠে। চায়ের পাতা ছলকে মেঝেতে রক্ত ঘাম ছিটকে প্রবল কখনও বা। আমাদের বলেছিলে কিছু? কিছু কি হতেই হবে? আমরা দুজনে থাকি খোলা চুল আর ঘাড় নিচু। ৩ জুলাই, ২০২২

There is no point in lamenting why others are not like us

  A few years back, when we dreamt together of an unseen and obscure reality for us, it was still inspiring. Our fingers trembled with an invigorating exhilaration. It felt so liberating to be free from the tethers of innate narrowness, to escape from the limiting beliefs of our acquaintances who clinch our trailing shadow and clip our wings of desire or to run away from the maddening fiasco of fools and brain-killers. It was so until we realised we are a part of an entire narrative that society writes for us. Denying them is denying the fundamental, everlasting tussle between the desired apple and obeisance. The choice is, of course, ours. But so is the responsibility of choosing one, staying truthful to our capacity of reasoning while never pining over the all-pervading power and apparent victory of the choice-not-taken. There is no point in lamenting why others are not like us. They are not because they chose to, the way we did. This reminds me of Sankha Ghosh — a fool doesn't a...

একটি মধ্যবিত্ত রক্ষণশীল যৌনদৃশ্য

  অথচ প্রকাশ্য নয়, নির্বিকার খুলে যায় পাথরপ্রতিমা। বিকল সারস শুধু একাই ঠোকে, আর কারও অধিকার নেই। আপাতত মিনিট খানেক, শুধু বিপণনে দেহশব আঁচড়ে চলেছি। দরজায় ঘেমো জামা যেটুকু অফিস নিংড়েছে, আজকের পাপস্খলনটুকু ওর মুখই নিক। আর কোথায় জানাব? একটু পরেই বাড়ি, ডিম কারি ওর বুক লেপটিয়ে রুটি দিয়ে খাব। ১২ জুলাই, ২০২২

কাল সন্ধ্যেবেলা - অঞ্জন

  গ্লাস হাতে কেঁদেছ কোনদিন, শতদ্রু? অবনী সেন কেঁদেছিলেন সেদিন রাতে রঞ্জনা কোথায় চলে গেল, কোথায় থাকল, কেন এক মুহূর্তের জন্য তিনি সহজ হলেন না এসব কথা ভেবে, আর ওর লেখা বৃষ্টি দেখেছি গানটা রাত জেগে ঠিক করতে করতে। অথচ দেখো, কথা বদলে দিলেও উনি বক্তব্যের সাথে একটুও কম্প্রোমাইজ করেননি। আমরা কি করছি বল? সব তাড়াতাড়ি করে ফেলছি। সবটাই এক্ষুনি করতে হবে, এর মধ্যে করতে হবে। আমাদের আশপাশের লোকজন,সময়, অফিস, ব্যবসা, শহর জুড়ে তৈরি হওয়া হাইরাইজ - সবকিছুই এখন তাৎক্ষণিককে বোঝে। Instant gratification. তাই কাল ঘন্টা দেড়েকের কিছু বেশি সময়ের আলোচনায় বসে থাকি আমরা জনা ত্রিশ- চল্লিশেক লোক। বাকিরা reels scroll করে যান। YouTube-র নতুন users' traffic statistics খুব শিগগিরই বদলাচ্ছে, শতদ্রু। তুমি দেখে নিও, এরপর এক মিনিটের shorts-ও অনেক প্রলম্বিত মনে হবে। আরও ছোট, আরও জলদি, আরও ease of access চাইব আমরা। কাল সন্ধ্যেবেলা যারা অঞ্জনদাকে শোনেননি, আমি বলি কি, তারা হয়তো জানতে পারলেন না যে এক অঞ্জন দত্তের মধ্যে কতগুলো বিপুল অঞ্জন দত্ত রয়েছেন। একটা সমগ্রকে নিয়ে যাঁরা চলেন, তাদের কথায় থেকে যায় বিষয়ের fluid...

Hold Me Closer

  "I need a hug." "Ah, here!" "How does it feel?" "It felt like a decent nap after orgasm." "Didn't you feel a tad better today?" "Erm, it reminds me of a morning siesta after breakfast, my favourite book held tight over my chest. It felt like how I clinched to my deceased parents for the last time."

My Way - Career Change

  Shortly after I joined Accenture, I was moved to service management from the profile of a French translator and interpreter. Despite receiving intense support from my leads during the initial phase of my career, a service management profile was never aligned with my career goal. Hence, I tried every means to change my role since 2017 - upskilling myself to Azure cloud, DevOps and R, discussing my aspirations with my supervisors, and even approaching the next level of people's managers, but nothing worked. At times, I was provided with rationales which startled me - if we provide you with this role the others might feel left out, your aspirations are not implausible but difficult to achieve at this level, and you are trying to compete with someone who has a demonstrated experience of years on this domain whereas you do not have one, etc. At last, this year I had to take a call to come out of my comfort zone and embrace uncertainty with some calculated risks. I was already into mul...

ব্যাকুলতা, বাতুলতা মাত্র

  একটা বিয়ার নিয়ে যদি Mags-এ বস, তাহলেই বুঝবে কেমন মন কেমন করা হাওয়া দিচ্ছে পার্ক স্ট্রিটে। এ বছর কলকাতায় বর্ষা নামবে না। তা হোক। গত বছর বহুৎ ঢেলেছে। শতদ্রু, পার্ক স্ট্রিট বুড়ো হচ্ছে। আমরা আর সিগারেট খাই না Moulin Rouge-এর সামনে। সেই যখন তুমি সুস্থ ছিলে, একবার St. Xaviers-এ আমরা Macbeth দেখতে এসেছিলাম। মেয়েদের অসম্ভব সুন্দর লাগছিল। তারপর ইন্টারভালে একটা দোকানে আমরা রোল খেলাম। বললাম, "দাদা টাকাটা নিন"। "লোকটা অনেকক্ষণ ধরে কিছু করছিল। টাকাটা দিলাম না। তারপর দে ছুট। পালিয়ে গেলাম। এভাবেই আমরা পালাচ্ছি, শতদ্রু। আমরা অনেকেই পালাচ্ছি। টিন এজের চুমুর থেকে, ভয়ানক সম্ভাবনার থেকে, আমাদের যেটুকু করা প্রয়োজন বা এই মুহূর্তে যেটুকু জীবন আমাদের বলছে 'করো, দেখো, এক্ষুনি করো' - এইসবের থেকে। আমরা যখন যখন একটু বড় হয়ে উঠতে পারছি, একটা বিয়ার নিয়ে, একটা Smirnoff আঁকড়ে ধরে তখনই অন্য আরেকটা আমি আমাদের কাঁকড়ার মত আমাদের কামড়ে ধরছে, পেছনে ফেলছে আমাদের। বলছে, 'নামো, নামো' এখনই নয়। সোফায় পেছনে উল্টে থাকো। বলো বিছানাই বন্ধু। অথচ শতদ্রু, এখানেই ফিরতে হবে। এই বিরাট বি...

অঞ্জন দত্তকে নিয়ে দু'কথা

  এই সমস্ত বিষণ্ণ ঘুম জানে কতকখানি কলকাতারই ক্ষয় যাচ্ছে সরে সমস্ত দিন তবু আঁকড়ে ধরি বিশ্বাসে সঞ্চয়। তবুও কিছু খুচরো ধুলো কখন এদিক, ওদিক, সমস্ত দিক ফেলে ঢুকছে কিছু, জানলা উথাল তবু আমায় তুমি তার বদলেই পেলে। বলছি তবুও, এটাই আমার কাজ - এখানে থাকুক। কারণ তোমার কাছে স্বগতকথন নিজের, যদি না বোঝো বুঝব কীভাবে তোমারও বলার আছে? যাচ্ছি চলে মন খারাপে বড় যেমন শহর ইলেকট্রিকের তারে ঝুলতে থাকে শীতের দুপুরে এখন বেনিয়াপুকুর, একাকী ডেনভারে। বছর পেরোক; তবুও সবাই যখন মধ্যমেধায় হচ্ছে জড় শীতে থাকছি আমি, বলার আছে অনেক - আলিমুদ্দিনেতে বা পার্ক স্ট্রিটে।

বর্ষাকাল

  চুলের বন্যা ঠেলে বুকে এলে তুমি। বৃষ্টি নেমেছে নদী-ধারে। আর কিছু বেঁচে নেই। সমস্ত শরীর-শাখা শিহরনে হিম হয়ে আছে। গলার ভেতরে চেপে আছে, আবেগ-জ্যোতি সব। কেঁপে কেঁপে আছে, নিঃশ্বাসে মেপে মেপে আছে। ভাসছি এখনো ; ডুবব না এইটুকু জানি। বর্ষার জল-ই তো! প্রশ্বাসে নির্দ্বিধা বাড়ে। আঁজলায় মেপে মেপে, সপাটে বুকেতে টানি, যেভাবে জানবে তুমি, বৃষ্টিও ঝড় হতে পারে। 17 July, 2015

নটধা-র মহাভারত ২ দেখার পর দু'চার কথা

  কিছুদিন আগেই ফেসবুকে একজন বলছিলেন যে, নাটকের টিকিটের দাম বাড়ানো উচিত। আমার ঘোরতর আপত্তি ছিল এই নিয়ে যে, বাংলা নাটকের অধিকাংশের মান দিন দিন এতই তলানিতে ঠেকছে (তার পারিপার্শ্বিক কিছু সঙ্গত কারণও রয়েছে; সবটাই নাট্যদলের দোষ দেওয়া যায় না) যে, বেশিরভাগ নাটক ১০০ টাকা দিয়ে দেখার পরেও মনে হয় - টাকাটা জলে গেল। সম্প্রতি স্বপ্নসন্ধানীর "হ্যামলেট" দেখেছি। যে দল "একলা চল রে"-র মত দুর্দান্ত একটি প্রযোজনা করতে পারে, তারাই শেক্সপিয়ারকে কোন মধ্যমেধায় নামিয়ে আনতে পারে সেটা দেখেছি। একটা নাটক শুধুমাত্র অভিনয় দিয়ে টানা যায় না। বহুমাত্রিক শিল্প বলে তাকে স্ক্রিপ্ট, মঞ্চ, আলো, আবহ, চরিত্রদের শরীরী ভাষা- এই সমস্তটা নিয়েই একটা ভালো নাটক হয়ে উঠতে হয়। যেমন শোহনের হেলমেট, যেমন সায়কের দায়বদ্ধ বা দৌড়নামা, যেমন স্বপ্নসন্ধানীর দর্জিপাড়ার মর্জিনারা বা একলা চলো রে, তৃতীয় সূত্রের বিসর্জন, অঞ্জন দত্তের গ্যালিলিও, সংসৃতির বিকেলে ভোরের সর্ষেফুল অথবা সম্প্রতি প্রাচ্যের বালজাকের প্রেমিকারা । বাংলা গানের এক গুরুস্থানীয় মানুষ আমাকে একবার বলেছিলেন যে, বাংলা গানের অ্যালবাম উঠে যাওয়ার ...

স্বখাত সলিলে

  কোথাও এমন কিছু একটা ঘটে চলেছে যার প্রতি কোন আড়ালই যথেষ্ট নয়। এমনও হয়, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট জানতে পারে না চৌম্বকীয় লোহার উপমা, কতটা কালির লালে ঢাকা যায় ঘুষের ঘনত্ব। অথচ, এ টাকায় স্বচ্ছতা ছিল ব্যবসায়ী বুদ্ধি বা ইচ্ছের ক্ষমতা ছিল না। শেখাবেই শুধু ভেবেছিলে? জীবন ব্যাজার করে নিজে কিছু শেখানোর নিজেকেই, বল, তার জড়তা ছিল না? ২৪ জুলাই, ২০২২

জিতামিত্র

  নিজের কাছে সমস্ত দিন হারি, নুয়ে থাকি, তাই লোকে ভাবে চারাগাছ, সামান্য যে বিতর্কী, দলভারী তার তফাৎ-এ পোহাই ক্ষমার আঁচ। মতান্তর যেই মানসিকতায় মাপো শিল্প, শিল্পী - একই মানুষের দায়, শিক্ষিকা যিনি, তিনিই তো 'মা' কারও ; স্বীকার করি না চাপে, কি বা স্বেচ্ছায়। মানিয়ে নি তাই, অপূর্ব তার আলো, পরিবর্তন বিবর্তনেরই দাম। আমার হারেতে কেউ তো থাকলো ভালো! এসে যায় কিছু, যদি নাই জিতলাম? জিতাহব পৃথিবীতে - শেষকথা তারই খুচরো এসবে কিছু নেই সান্ত্বনা, কে দেখবে মুখ,ক্ষতটুকু? যা আমারই? এর চেয়ে কিছু ভালো হতে পারত না? ৩১ মার্চ,২০২১

Un Limerick

  Qui a vu le puissant Dieu? Où habite-t-Il? Où est son lieu? <<Ne calomnie pas.Tu es bon à rien>> <<Mais,où est la trace?>>,le doute n'est le mien? Donc,je ne me prononce.Il erre dans la rue! 3 August, 2013

ঐন্দ্রজালিকা

  আলো নিভে আসছে। সমস্ত তেমাথা আলোর এখন ঘুমিয়ে পড়ার সময়, ডানা জুড়োনোর সময়। বহু আলোর মধ্যে থেকেও অনন্য যেটুকু, তাই চোখের বিশ্রামে নরম লেপ্টে আছে সাদার্ন এভিনিউয়ের ফুটপাতে। এই পথটা আমার চেনা, কারণ এক সময় সন্ধ্যে একটু নিবিড় হলেই গোলপার্কের ক্লাস সেরে ওর সাথে বেড়িয়ে পড়তাম কখনও Indthalia তে garlic sausage আর mocha আবার ওর মাসের শেষের দিকে চায়ের দোকানে। তখন আমার বরাদ্দ সাকুল্যে ১২৫ টাকা/ ঘন্টা। আমি আর কিই বা খাওয়াব? তবুও new year-এ একটা CCD-র notebook দিয়েছিলাম। সেইসব তরুণ, তরতাজা আলো পেরিয়ে যেতে যেতে মনে পরে, কলকাতায় তখন তেমাথা আলো ছিলনা। লেক রোডে Naturals ছিলনা। এই মিশ্র সংস্কৃতির পাড়ার গলিতে গলিতে তখনও এতগুলো কফিশপ, ফ্লুরিস, হ্যাং-আউট কর্ণার তৈরী হয়নি। কেবল অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সড়গড় হচ্ছি বলে, একদিন গুগল ম্যাপে Xrong Place খুঁজে না পেয়ে পাড়ার এক ট্যাঁশ কাকুকে জিজ্ঞেস করতেই তিনি দেখিয়ে দিলেন আর বললেন, "But don't drink too much, han?" সেই রাতে সাড়ে এগারোটায় গুরুজী (পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী) যখন দরবারী গাইতে বসছেন S.R.A-তে, আমারা তখনও পৌঁছে উঠতে পারিনি। অথচ,...

Movie Review : A Holy Conspiracy

  The fundamental belief and faith in life and in our comrades are falling apart. When our stance, power and opinion of supremacy are challenged frequently, an unchecked and irrational outrage manifests in various forms - physical or psychological attack, real or virtual lynching, or even through A Holy Conspiracy. The title is not only satirical but also comprehends the crux of the film. A conspiracy is holy when it interrogates the validity of the unquestionable almighty and religious fanaticism. For the torchbearers, it is also a valid conspiracy and a respite is much-needed one when it is out of protectionism for the minority from an apostate. The film ironically sets up a scathing battle not only between science and religion - which is a cliche in 2022- but also between a powerful minority (Christianity) over a wilting minority (Sarna, a religion of the adivasis). It incorporates many related strata of thoughtful probations in this courtroom battle - the right of a ‘thinking m...