Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2026

Death

These cats – he is dead ; she is dead.  Someone writes, she should be removed  from the residents' group. And, he is your tom cat, no? NO! And, he came to my balcony. NO! I don't this tom, nor his jerry, nor any Toodles Galore. These strays deserve this. By afternoon, flies inherit the face. Around the nose first. Around the eyes. Nobody claims them. Nobody claims having seen them alive. 6 June, 2026

উৎখাত

  বিকেল মানেই দুটো প্রার্থনা-হাত জানলায় সিগারেট। এখনও ঘুমোয় ওরা? হে ঈশ্বর! ঘুমিয়ে থাকতে পারে? আমাদের শৈশব, স্বাতন্ত্র্য, কাগজেতে ভুলচুক যা যা ছিল, খুঁজে ওরা আজ তুলে নিয়ে গেল, পরিচয় নামগোত্রহীন আগাছা চারার মত পাশের খুপরি-ঘর থেকে। এখন যদি না একে বলা যায় কুমির কান্না বা নরসারমেয় মুখে লাগা অসহায় হাসি, তবে তাকে কী বলবে? হিরণ্যকশিপুর কোন সাধনাকে কলার চাবকে দেবে ঘরে-বাইরের চৌকাঠে অমরতা? পাড়ায় সাঁজোয়া গাড়ি, সাইরেন। আলো‌ প্রত্যাশী, অং, বং, গংয়ের আওয়াজ আর ঢং সেরে কিছু কিছু ন্যাড়া মাথা বেরিয়েছে, গায়ে রং, বিপাশনা শেষে আমার মেয়েকে, ওরা এই তুলে নিয়ে গেছে। এখন গারবেজ ব্যাগ চলে যাবে ওই পাড়ে, অসূয়া বা সূর্যের দেশে। ৫ জুন, ২০২৬ Disclaimer : This poem emerged from this photgraph by Paolo Belloni , shared with me by Arijit Lahiri

𝐀𝐬𝐡𝐞𝐬 𝐚𝐧𝐝 𝐏𝐞𝐨𝐧𝐢𝐞𝐬

Days replace days. The deads leave. The room adjusts. A friend carried his mother In an urn of weather. A week before she said, “Look, the peonies are opening.” He scattered her there. The rest went downstream. Petals. Ashes. Current. Dusk. He sat in the garden of childhood and innocence, where he and his mother talked for no reason and argued over nothing. A cigarette smouldered. Smoke on air. Ashes on water. The peonies, indifferent archivists, kept flowering. For a moment, he searched for an ashtray. Then forgot why. 4 June, 2026

কান্না

  কাঁদিনি কখনো। তাই, চোখের ওষুধটুকু স্বচ্ছ গড়াতে দেখে মনে হল কষ্ট না হোক, তবু কদাচিৎ, মাঝেমাঝে, এমন কান্না ভালো। আমার বন্ধুর দেহ স্বপ্নে কুড়িয়ে কুড়িয়ে খেল দানব কুকুর – কাঁদিনি। বিলে ভুল করেছে ওরাই ; তবু রাতে কালো নালা থেকে উঠে আসা সুদর্শন বাউন্সার কেউ, ঘাড় ধাক্কিয়ে ওর ওজনটা মেপে নিল সাদাটে কলার ধরে – কাঁদিনি। আমার বিড়াল কিছুদিন আগে মারা গেল। রাস্তায় কালো মাছি। আমারই তো‌ দায় পড়ে, শ্মশানবন্ধু হই? নাহ্, কাঁদিনি। কাঁদিনি। বেশ আছি। পালিয়েছি আমি, স্রেফ কান্নার থেকে পালিয়েছি। তবু এখন এমন হাল, মাগ্যির বাজারে যদি এটুকু গড়িয়ে পড়ে ওষুধ-বিষুধ, তাহলে আমার গড়িয়ে পড়া আরো কয়দিন ঠেকে যায়। পকেট ফুঁপিয়ে ওঠে, তবে, আমি বাঁচি‌। নিজের জন্য গর্বিত বুক ফুলে ওঠে নকল কান্নায়। ৩ জুন, ২০২৬

রাহুল অরুণোদয়ের জন্য

 প্রতিটি জন্মদিনই আসলে মৃত্যুদিন কারো। অদলবদল তুমি-আমিতেই করে নিই তবে। সমাপতনের কোনো‌ মানে নেই, তবু তো হাজারও সংকেত মনে আসে। কীভাবে ওপরওয়ালা সবেই আমাকে যে নিয়ে আসে! প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির জালে বংশলতিকা বলে– সফলতা খুব ভারি না তো! মৃত্যুর মত চোরাবালি জেগে আছে কোন পাড়ে সমুদ্র-স্নানেতেও ঘাই মারে মৃত্যুর সাঁকো। আসলে এপিঠ ওপিঠ, আমাদের আজকের বাঁচা অরুণোদয়ের থেকে সূর্যাস্তের রাজনীতি, ছিল–নেই : এটুকুই বলার, যাওয়া বা ফেরাটা শাঁখারি করাতে কাটে শাঁখার বা সিঁদুরের স্মৃতি। প্রতিটি বার্ষিকীই জন্ম বা মৃত্যুর কারো ওই বারে দেখা যাবে, কোনটা বেছে নিতে পারো।