এরকম পরিচ্ছন্ন সকাল দেখলেই এখনও রোদ আর অফিস উপেক্ষা করে বেরোই। দৃষ্টি স্বচ্ছ হয়। নিরবিচ্ছিন্ন ব্যস্ততার বাইরে, ধর্ষকাম আওয়াজের বাইরে যে একটা কলকাতা ট্রেনলাইনের ধারে, ডালহৌসি পাড়ার ফুটপাথে আর জগন্নাথ ঘাটের আসে পাশে এখনও একটা সকালকে একটু শান্ত হয়েই মেনে নিয়ে বেঁচে আছে - এসবকিছু একটু একটু দেখতে পাই। শিয়ালদাগামী সোনারপুর লোকালে এমন সকালে অতর্কিতে একটা সিট পাওয়া গেলেও যেতে পারে। আমরা যারা এক সময় এ পথের ট্রেনে গেছি বারবার কিংবা এখনও যাই, তারা ভিড়ে বিরক্ত হই কারণ ঢাকুরিয়ার আগে বা পরে, ট্রেন একবার দাঁড়াবেই। ভেতর আরও ভ্যাপসা হয়ে আসবে; পাশের লোকের জামায় চিটকে থাকা ঘাম অনিবার্যভাবেই অসহ্য মনে হয় তখন। ঠিক তখনই এইসব বস্তি থেকে তরকারি রান্নার, মাছভাজার গন্ধ আসে। জিভ সজাগ হয়ে শোনে মশলার ঝাঁঝের কিড়মিড়। নাক উশখুশ করতে করতে ভাবে- যেটুকু পাওয়া যায় হাওয়ার আনাচে কানাচে, সবটুকু সাপটে খাওয়া যাক । মনে হয় এই খাওয়ার লোভে, একটু সুরেশ থেকে মিষ্টি নিয়ে বিজয়া করে আসি ওদের বাড়ি। বন্ধুত্ব না হয় , একটা নিজের স্বার্থগন্ধী সম্পর্ক হোক। সেসব হয় না কোনদিনই। যেমন প্যারিসে ঘুরতে যাওয়া হয়না; কোনদিন না গিয়েও আমায় স্বছন...