Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2023

তোমায় 'ফেলুদা' দিয়েছিলাম

  ভালোবাসা, - এইটুকু সমস্ত উপচিয়ে সন্ধ্যা, শশী, বন্ধু হয়ে যায়। নিজস্ব দুপুরবেলা, ঘুমন্ত নরম আভা, সূর্যের পর্দা ছুঁয়ে দীর্ঘসূত্রী আলো মনে পড়ে। ওসব কাকাবাবু, চাঁদের পাহাড় ঘেরা, রহস্যে খুনের লাল, ব্লকবাস্টার - সব বেকার উপমা। এখানে চারুলতার মত ঘড়িটা সাত কি আট মিনিট ধরে স্থবির বা স্থাণু হয়ে আছে। কোন কিছু ভুল‌‌ নয় - ব্যক্তিস্বাছন্দ্য শুধু একুশের অলীক প্রেরণা। এত দূরাগত হয়ে যেয় না, যেন! এখনও বিরিয়ানী,‌ লঙ্কা চিবিয়ে রোববার ভাতঘুমে, একটু দেখলে কখনও বা, তাড়িয়ে তাড়িয়ে ওঠে আমাদের ফেলুদার সবুজ গাড়িতে ওঠা মধ্যকলকাতার সমস্ত ওলটপালট প্রেম, নিউ মার্কেট, প্যারাডাইস, গড়পার- অবাধ্য চাহিদা। 26 February, 2023

যা কিছু যায়

  না থাকলে‌ টের পাওয়া যায়। পাড়ার পুরোনো বুথ, ভাতের হোটেল; Zomato,Swiggy আর কী কী যেন, গোগ্রাসে গেলে। "আমি চলে গেলে‌, বুঝবি তখন" - ও‌ বলত, মা-ও। কাগজে ফিচার লিখে আঙুলের রাগটুকু উগরিয়ে দিতে, ইন্ডাকশন গ্লাস-টপ আর গরম বোতাম, পাশ কাটা বেপরোয়া অডি‌ ভেবে ঠুকে দিলে। এখন সকাল‌ প্রায় হয় হয়। রান্না হবেনা। তুমি! এসব প্রবোধ ভেঙে তবু লিখো, মূল্যবোধ মোটে নেই। গোল্লায় গেছে সব কর্পোরেটেতে, আর গুজু সন্ত্রাসে। ওহ্ আর তুমি! এসব প্রবোধ ভেঙে তবু শুধু ফিরে ফিরে যেও, আয়ুর্বেদের প্রসাধন আর, বৈদিক গ্রামে।‌ পুরোনো দিনের অভ্যাসে, অলৌকিক খোঁজে যখন থাকে না কিছু, যে বোঝার সেই শুধু বোঝে। ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

মসিজীবী

  এ সমস্ত আবহমান - অর্জিত ফসল কিছুটা। ধুলোর রোদেরা ওড়ে এখনও দুপুরবেলা, আলো ধারাবাহিকের পর ধুয়ে নিই কলম, পাতাটি অসহ্য মনে হয় আমাদের দেউলিয়া জীবন-জীবিকা। বইও তো বিক্রি খোঁজে। ছাপাখানা, বিপণনকারী দারিদ্র্য মিশুকে নয়, দর্শনে বুরিদানী গাধা অকৌতূহলী হয় - পেশা না লেখার দিকে যাবে? অথচ বিকল্প খোঁজে সবাই রোদের কথা বলে। ও.টি.টি ধরেছি আর সিরিজে লিখছি, টাকা আসে। সিরিজ লেখার পরে কী-বোর্ডে, স্যানিটাইজারে লেগে থাকে শুদ্ধির গ্লানি, মিশকালো। বইমেলা সাক্ষরে আরও তো বিক্রি করা বাকি, ধুলোর রোদেরা ওড়ে এখনও দুপুরবেলা, আলো। ৪ মার্চ, ২০২২

আজন্ম

  পরিপক্ব নয় - এমন‌ একটি ফলের‌ নিখাদ ত্বক ছিঁড়ে নিতে গিয়ে নখেতে পাপ‌ লেগে যায়। এখন এই না-পাক হাতে আজন্মা ব্যাধিগ্রস্থ হয়েও, নিপাট ভদ্রতায় আমাকে মাংস ছিঁড়ে খেতে হবে নিজের বিয়ের রাতে, হানিমুনে ব-দ্বীপে, মোহনায় ৭ মার্চ, ২০২৩

প্রার্থনা

  লিখছি। এ আমার নামাজের কাল। আমাকে ছেড়ে যাও, দিনানুগ রোদের চাহিদা আর আদেখলাপনা। আমাকে ছেড়ে যাও, গত রাত এক্সেল শীট আর ক্যাশের হিসেব। আমাকে মুক্তি দাও - অসহন অভিনয়, সাজঘর, বহুরূপী চরিত্র সাজানো, আর শম্ভু মিত্র আর বিজনদাদের ভারে অসফল ভুরুর সুষমা। এটুকু আমার ভার, কলমেতে নিবিড় রেখেছি। পরের বাক্যটুকু এঁকে রাখি তাই, দ্বিধাপ্রসূ, আঁটো, জড়সড়। এখন তোমরা থামো। আমাকে তো ওদেরকে ছুঁতেটুকু দাও? চুপ করো। প্লিজ, চুপ করো। ১২ মার্চ, ২০২২

সাবলম্বন

  অন্ধের যষ্ঠি রাখি না। বোজা চোখে মুঠো করে মেপে নিই চাল আর জল। ফ্রিজ খুলে নিপুণ বিশ্বাসে সসপ্যানে ঢেলে রাখি দুধ। ই.এফ.এলে পড়াশুনো করি, তাই আজকাল চোখও ঠিক ভরসা করেনা। অথচ, ওদের কারোর কাছেই কিছু বাকি রাখব না বলে, আজন্ম এ কলমা আওড়ে গিয়েছি শুধু - কারও কাছে নেই কোন দায়। এখন‌ এ মহা দায়, আমাকে নিংড়ে নাও। হিঁচড়িয়ে নিয়ে চল খোঁড়া পায়ে হাসপাতেলেতে, একা ; দোকানেতে, গুমঘরে‌। ও ফেরেশতা? ১৫ মার্চ, ২০২৩

শিল্প ও বাজার

  সেই পুরনো গল্পটা আবার শুরু হয়েছে। অস্কার জালি। মনোনয়ন ঠিক ভাবে হয়নি। পয়সা দিয়ে সবই কেনা যায়। খিস্তি ; পাল্টা খিস্তি ; ইত্যাদি ইত্যাদি অথচ বুক বাজিয়ে বলতে পারি, এদের মধ্যে অধিকাংশই RRR দেখেননি। আর দেখলেও এরা মূলধারার(mainstream) ছায়াছবি বা গান কেন তৈরি হয়, কেন তার তৈরি হওয়ার প্রয়োজন এই জায়গাটাই ধরতে‌ চাননি।নাটু নাটু শুনেছেন, কিন্তু গানটা 'কোথায়' ও 'কেন' তার (Ramkrishnite-দের ভাষায়) স্থান-কাল-পাত্রের কোন বিচার করার প্রয়োজনই মনে করেন নি। এই ছবি আজ থেকে বহু বছর আগের শ্যাম বেনেগল কিংবা নিদেনপক্ষে আশুতোষ গোয়ারিকর করলেও সান্ত্বনা পুরস্কার ভেবে ব্রডওয়েতে গিয়ে দু পাত্র মেরে আসতেন এরাই। এটাও এরা বুঝবেন না যে, অস্কার আসলে একটা mass appeal-এর কথা বলে। তার অস্তিত্বের কথা বলে। এরা ক্রিস্টোফার নোলান মন দিয়ে দেখেন না। Martin McDonagh আর Edward Berger এর শৈল্পিক ভিন্নতার জায়গাটাকেই স্বীকার করেন না। মনে হয় ,দর্শনের খুব গোড়ার কথা এদের কানের কাছে গিয়ে বলে আসি - you cannot compare apples with oranges. একদম অন্য কথা এবার : বাংলা ভাষা 'ভালোবাসেন' এমন এক সম্প...

এই আকাশে

  বেরিয়ে গেলে বর্তে যাব, নচেৎ নয়। এখন‌ শুধু হাওয়ার গভীর ফিসফিসানি। এখন শুধু ছদ্ম-দাপট, হলুদ ভয়। বেরিয়ে গেলে, পেরিয়ে যাব নচেৎ নয়। কে খেলেছে ছক্কা-চারে পেছল ক্রিজে? বলের গুনে চালতে পারে বোলার নিজেই। তবুও বুকের বাঁদিক ব্যথা নিয়েও ইনিংস খেললে হয়। এভাবে ঠিক বেরিয়ে যাব, নচেৎ নয়। ১৯ মার্চ, ২০২৩

হারানের নাতজামাই

  এসময় যখন আমরা একটা যুগোপযোগী শিল্পের ভাষা খুজছি, কীভাবে ঠিক আজকের এই দিনের সংকটগুলো ধরতে পারা যায় তার তত্ত্বতালাশ চালিয়ে যাচ্ছি, তখন একটা প্রশ্নের সামনে এসে বারবার ধাক্কা খাই আমি। খোঁজ জরুরী নিঃসন্দেহে, কিন্তু আমাদের শ্রোতা কিংবা দর্শকদের আমাদের অক্ষম র ‍ ্যাবিট-টেস্টের ফসলগুলোকেই একটা চকচকে মোড়কের আড়ালে প্রতিদিন তুলে দিচ্ছিনা তো? শুধু OTT সংস্কৃতি আর ইন্সটা-ফেসবুকযাপনই কি আমাদের বই, ছবি, মননশীল সিনেমা বা থিয়েটার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে না এর পেছনে দায় আমাদেরও? এর প্রমিত উত্তর আমার এখনও জানা নেই। তবে, রোববার বিকেলে মধুসূদন মঞ্চে "হারানের নাতজামাই" নাটক দেখতে দেখতে এর একটা চমৎকার antithesis পাওয়া গেল। একটা পুরোনো দিনের নাটকের ধাঁচে, পুরোনো দিনের গল্প বলতে বলতেও যে আজকের সময়ের ক্রাইসিসগুলো চটজলদি ধরে ফেলা যায়, তা দেখিয়ে দিল আমাকে এই নাটক। ৮৬ বছর বয়সে অরুণ মুখোপাধ্যায় আবার একটি নাটকের নির্দেশক। সত্যি বলতে একজন মানুষ এই বয়সে কীভাবে এই প্রাণশক্তি পান আর তার কতটা প্রতিফলন স্টেজে অভিনয়ে এবং নাট্য নির্মাণে ধরা পড়ে – এই অভিজ্ঞতার সামনে নতজানু হতেই সেদিন সন্ধ্যেবেলা যাওয়া। তাই Sang...

বাঁচাও আমাকে

  এভাবে রক্ত দিতে নেই। তাহলে অনেক বকুল ফুল, বসন্তের শ্বাসদায়ী হাওয়া আর আমাদের সাদার্ন এভিনিউ-জোড়া চারপেয়ে বিকেলে আলোরা, অলোকচারিণী হয়ে যাবে। তার চেয়ে গ্রহণের চাঁদ দেখো। বিলাসিতা! স্বপ্নে গড়িয়ে যাওয়া ঘুমের লালার মত স্বেচ্ছাচারিতা। এখন তোমরা যাও‌। আমাদের আলাদা থাকার খেলা খতম হয়েছে। এখন উলঙ্গ চাঁদ, সোনা, ছুটে এসে জাপটে ধর এবার মুক্তি দাও, সটান বিছানা বালিশে এসে পড় আর, বাঁচাও আমাকে। ২৪ মার্চ, ২০২৩

ঈশ্বরের সাথে দেখা

  সময় বুঝিনা। শুধু মেনে নিই ঠোঁটের এই ডানা, আর তার অবাধ চাহিদা। এটুকুই রোজার নিয়ত আর এটুকুই ইফতার। আর সব মেঘেদের নদীপথে, আমাদের অবিনীত শ্বাসে... এখন এটুকু জানি, আমরা অলীক দুপুরে ময়দানে এলে মাঝে‌মাঝে খোদাতালা দিগন্ত পেরিয়ে নেমে আসে। ৩ এপ্রিল, ২০২৩

অপরাধ

  পূর্বাপর কিছুই জানিনা। একলা শরীর থেকে হামা দিয়ে চলে যাই অন্য বোষ্টমীর স্তনে। আমি তো বালগোপাল। অপরাধ নিওনা গো, মাখনচোরের প্রতিনিধি। অপরাধ‌ নিওনা গো, মৌলবী মিঞা। না-পাক স্থানেও আমি ওজু করে ঢেলে নিই পুণ্যতোয়ার জল, স্বচ্ছ ভাগীরথী। আমি তো নষ্টনীড়, চারুলতা - পাপবিদ্ধ প্রেমের আজান। কবোষ্ণ বুকে‌তে আমরা লেপ-বদ্ধ‌ হলে, আমাদের ভেজা ঠোঁটে আচানক ঈশ্বর‌ দেখা‌ দিয়ে যান। ৭ এপ্রিল, ২০২৩

Journal Matinal - 1

  Il fait chaud. Il fait très chaud. Il fait vraiment très chaud au point que tout semble dénué de son propre existence. Tout est brûlant. Il faut que je m'échauffe sans mon gré. Mon désir ou mon vouloir de m'échauffer n'a plus aucun importance. Je me réveille. Je sors de la chambre et je vais au lavabo. Je touche le robinet ; je ne le connais pas. J'essaie de me laver le visage mais l'eau sort à une température qui conviendrait mieux pour un café. Je m'étonne de voir l'été possède un tel pouvoir de transformer tout ce qui nous entoure. Serait-il aussi en mesure de nous changer à l'intérieur? Je ne reconnais plus les gens. Ils me semblent insolites, très bizarres. Ce n'est pas le moment de faire l'amour. Mon amour s'éloigne de moi chaque jour davantage. Elle a tout changé. Je n'arrive pas à la reconnaître. Je ne peux plus reconnaître le monde où je vis. Je n'en peux plus ! 19 avril 2023

বিশ্ব বই‌ দিবসে

  কিনেছি তেমন কিছু বই কি? কথা আর‌ লেখায় মেলে‌ সখ্য। তাতে কি? জমছে পাহাড়, ধুলোর মত পড়া, না-পড়ার লক্ষ্য। তবুও, বই তো আমি কিনবই। স্টারমার্কে বা অক্সফোর্ডে - পার্কস্ট্রিট, কলেজপাড়ার বিকেলগুলো বৈ তো কলকাতা আলোর কোন‌ নাম‌ নেই। কাল আসছ তো‌ গোলপার্কে? গোর্কি সদন? আসছি, বইকি! আবার সেই লাইব্রেরীতে বোধহয়? সত্যি! আর‌ কোন‌ কাজ-কাম নেই? 23 April, 2023

Journal matinal - 2

Un ciel nuageux, un cœur noyé dans l'incertitude. Je pense à capter une idée, jamais conçue. Je pense à repérer les mots que j'ai entendus dès mon enfance, ceux que j'ai appris par cœur. Toutefois, ces mots, par leurs sonorités et leurs connotations dont ils sont issus se dissipent comme des bulles entrevues dans une rêverie. Voyons - le ciel nuageux, le cœur incertain. Je m'appuie sur les souvenirs des jours ensoleillés. D'où vient que je me désespère pour ce passé ? Est-ce d'avoir irrémédiablement perdu les trésors que je possédais alors ? Va-t-il de soi que nous soyons destinés à gémir sans cesse sous l'absence des temps anciens que nous avons aimés pour les avantages qu'on en a tiré et qui, à présent, se sont enfuis ? Tiens, tiens ! Le ciel est encore nuageux, le cœur certain de son incertitude. La vie comme la plume coule, noyée dans l'incompréhension et l'indécision. La raison d'être a enfin été retrouvée. 24 April, 2023

বল প্রেম, বল ভূমা

  এখন স্তব্ধ হও। এখন নেমে এসো - আস্থায়, প্রেমে, নির্ভারে। কত অনাবশ্যক বলে গেছ। বেড়ালের শ্বাদন্ত যেমন বেরিয়ে আসে অযথা শিকারে, তেমনই তোমার চলাচল : বেখেয়ালে, সচকিত বাক্যের ভারে। এখন‌ মৌন‌ হও। এ কদিন ঘুরে এসো, যোজন স্তব্ধতার পারে। ২৬ এপ্রিল, ২০২৩

Taste of a Cherry

  So you.... And you... And our immortal taste... She kissed. She kissed. She kissed and she felt It was not he, but Me. True? Are you? And a morning... Your fresh breath in my sense And a bit toxic... Hope and a little sugar... She,dear she... 2 May, 2016

সমরেশ মজুমদার

  আমার তেমন পড়ার অভ্যেস তৈরী হওয়ার আগেই লেখা হয়ে গেছে উত্তরাধিকার-কালবেলা-কালপুরুষ। মৌষলকাল তার একটু পরে। কিন্তু তখনও সোশ্যাল মিডিয়ার বাড়বাড়ন্তে এক নাগাড়ে পড়ার ইচ্ছেটা ওলটপালট হয়ে যায়নি। তখন অরকুট ছিল। আমি তখন ক্লাস এইট। টিনএজের প্রথম ভাগ। আমি তখন মফস্বলী। কলকাতা শহরে মাসে দু’বার গান শিখতে এলে, শহরটাতে জন্ম হয়নি বলে একটা আফসোস এফোঁড়-ওফোঁড় করে দেয়। তো, একদিন অরকুটে আলাপ হয়েছিল উল্কা নামে একটি মেয়ের সাথে। অদ্ভুত নাম। কলকাতায় আমার যেখানে ফ্ল্যাট (তখনও এই ফ্ল্যাটটাই ছিল), তার খুব কাছে থাকে, বলেছিল আমায়। -বই পড়ো? -হুঁ। -কী বই? -কালপুরুষ পড়লাম recently। -সেটা কী? আমি তখনও টিনটিন, কাকাবাবু আর ডান ব্রাউন সামলাচ্ছি। -সমরেশ মজুমদারের। - ও, আচ্ছা। তো কী ভালো লাগলো এই বইটাতে? - ওই, ওই, ওই যে সময়টা আর ওদের ওপর কী অত্যাচারটাই করেছে। That touched me a lot! আমি তখন বইগুলোর কাছাকাছি যাব ভাবছি। আসলে ওর কাছাকাছি যেতে হবে। মার্ক্স জানিনা। নকশাল কী বা কারা, সেসব বোঝার দরকার নেই আমার। কিন্তু, এই বইটা পড়ে এমন একটা কিছু বলতে হবে, যাতে উল্কা চমকে যায়। বইটা কি পাওয়া যাবে মালদায়? জন্মদিনের পাওয়া ৫০০টাকা আছে ...

রবীন্দ্রনাথ? তিনি বৃদ্ধ হলেন

  আজ সকাল থেকে রবীন্দ্রনাথ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আমরা নিজেদের নিয়ে লিখছি। নিজেদের শব্দ লিখছি ; আয়ু লিখছি, প্রেম লিখছি। বয়ে যাওয়া অথবা ক্ষয়ে যাওয়া বিকেল-দুপুরবেলা নিয়ে লিখছি। আমরা কেউ ভাবছি আমাদের একটা ফেসবুক রিলে দশ হাজার views কিংবা ১০০০ subscribers হতে হবে। কোনো প্রকাশক বা ইনফ্লুয়েন্সর আমাদের অত্যন্ত খাজা একটি লেখা "মুগ্ধ হলাম" বা "নিরন্তর ভালোবাসা" এইসব লিখে ছড়িয়ে দেবেন বনে, বনাান্তরে। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। একটা বোতল খুলে এইসব লিখছি। কিন্তু এরই মধ্যে আমাদের কারো কারো মনে হয়েছিল - ঐ সকালবেলাটা তো থেকে মন্দ ছিল না! আমি একটা হলদে পাঞ্জাবী পরে স্কুলে যাব। গাইব; বা, একটা কবিতা বলে নেব না হয়। আমাকে, ও দেখবে পাঞ্জাবিতে। হলদে পাঞ্জাবিতে। তখন, মিস্সি রোটির কথা মাথায় থাকবে না। ওই বয়সে একটু যাদবপুরের মাঠে সন্ধ্যে নামবে। আর অতল কালো স্নেহের মাঝে ডুবে আমরা স্নিগ্ধ হব। সেই সমস্ত সন্ধ্যেগুলোতে আমাদের 'আশ্চর্য নতুনভাবে দেখা হয়েছিল'। এখনও আশ্চর্য লাগে। অথচ তখন লাগত না। আমি তোমাকে ম্যাকবেথ শুনিয়েছিলাম। কারণ, আমার স্মৃতিতে সম্পূর্ণ ম্যাকবেথ ধরে রাখা সেই...

Shift in Meaning

  I don't know how but, interestingly, some words that were once associated with positivity have experienced a shift in connotation, now carrying negative undertones. A few days ago in Bangalore airport, I was discussing with one of my friends about this uncanny fluidity of the language and culture. Being "Judgmental": In a society that emphasizes open-mindedness and acceptance, being "judgmental" has acquired a negative connotation. Originally, the term referred to the ability to make discerning decisions and evaluate situations. Now it represents a negative trait associated with forming hasty, unfair, or overly critical opinions about others. The rise of inclusivity movements and the importance placed on empathy have contributed to this shift. "Assertive" vs. "Aggressive": Assertiveness is often regarded as a desirable quality, highlighting one's ability to express opinions and needs confidently. However, in certain contexts, this posit...

এইভাবে ছুঁয়ে যেতে নেই

  এইভাবে ছুঁয়ে যেতে নেই। মন ভালো করা হাওয়া দিয়ে যায়, জীবন সহজ হলে। অথচ এও তো জানি, আলোর বাতাস হয়ে বয়ে যাওয়া অতখানি সুকোমল নয়। বরং, দুপুরেতে আলো-রোদ এখন প্রবল হলে, জানলা ভেজিয়ে রাখি। সমস্ত ছোঁয়াচ থেকে বাঁচি। আমরা সামান্য লোক। আমাদের মনগড়া আলোয় হঠাৎ এমন করে ধাঁধা লেগে গেলে বেমক্কা ছাই দিয়ে চাপা কিছু 'আগুনের অবাক ফোয়ারা' খুলে যায়। সবই প্রকাশিত, খানখান। এখন এই আচমকা ছুঁয়ে গেলে কীভাবে লুকাবে বল, তোমার কুঠুরি ঘাস, সীমা-পরিসীমা আর ব্যবধানী তোমার সম্মান? ১৪ মে, ২০২৩

সমস্ত সহজ নয়

  আমাদের শুরুতে সহজ হওয়া এতটাও সহজ ছিল না। এ সমস্ত পেরিয়ে আসতে হয় বয়স প্রসেন, আর রেখা। তবুও আমরা আজও দেখা করে ফেলি সহজেতে। এক একটা কোয়ালিটি, এক একটা ফুচকার দমে - সেন্ট জেভিয়ার্স থেকে যোধপুর পার্ক পরিসীমা। কারণ? অনেক সোজা। ভাষা দুটো এক নয়। রীতি? ওসব এখন থাক। আমরা উপচে গেছি - আলো। আমাদের ময়দান, আমাদের জাকারিয়া প্রেমে - এতটুকু এক মাস সেমস্টার? এতটুকু জলও কি গড়ালো? এখন একটু লিখি, লিখি - লিল্লাহ্ , বা বিসম্-ইতে কারণ হাদীশ শিখিনি তো‌, আর পঞ্চশীলও না। রাতটুকু নামাজ রেয়াত দিল, ফজর অবধি, তবু! তবু, আমাদের চুমুতে সহজ হওয়া এতটাও সহজ ছিল না। ২১মে, ২০২৩

কী বলি?

  এই যে জীবন, তুমি সব উজার করে দিচ্ছ আমায়, এর জন্য তোমায় কী আর বলি? মাঝে মাঝে বিশ্বাস হারাই। সবার মতই। ‌ মনে হয় যা শিখলাম, ঠিকভাবে শেখা হল না। সেভাবে ভালবাসতে পারছি না কাউকে। কোনদিন পারিনি। লিখতে গেলে কলম চলে, কিন্তু লেখা চলে না। তবু লিখে যাচ্ছি, লিখতে পারিনা বলে। এক একটা ভাষা শিখছি, শিখতে পারছি না বলেই। কিংবা বিষয় থেকে বিষয়ান্তরে অ্যাডভেঞ্চর খুঁজছি। পুরোনোতে ক্লান্ত হয়ে যাই অল্পেই। তাই অনেকে ভাবে, আমি মোটেই বিশ্বস্ত নই। সে কথা তো আমিও জানি। কিন্তু তুমি আমায় বিশ্বাস কর। সমস্ত ওলটপালট করে দাও, একান্তে, গোছাবে বলেই। হয়তো আমাকে গোছানো শেখাবে? আমাকে হাতে-কলমে বুঝিয়ে দেবে যন্ত্রণার বর্ণপরিচয়, কারণ পৃথিবীর সমস্ত অক্ষরজ্ঞান আমার প্রাপ্য। আমার কাছে তুমি আবশ্যিক সকালে এনে দাও। সে ফোন করুক যার কথা ভাবছি গত কয়েকদিন। নিদেনপক্ষে হোয়াটসঅ্যাপে একটা মেসেজ। আর সে করেও তাই। আমাকে তুমি এনে দাও আলু-ভাতে ডিম সেদ্ধর পর ঘুমের দুপুর। স্বপ্নে আসুক সেই নির্দেশক, যার সাথে কাজ করব বলে গত দশ বছর ভেবে গিয়েছি। বিকেলে তার ফোন আসে। আমাকে এনে দাও আমার আরবি শিক্ষকের ভাষার প্রজ্ঞা। এইসব, যীশু, তোমাকেই ব...

Journal nocturne - 1

  Après un cours dur qui dure plus de trois heures, le cerveau se ferme lentement. Il ne parvient plus à capter de nouveaux mots, de nouvelles idées et même de nouveaux sons, que le professeur s'efforce de nous transmettre. Ce monsieur-là, assis sur la chaise en bois toute la soirée, se déprime à son insu. Comme il est âgé ! Comme il s'est échoué toute sa vie! Sa connaissance, pure et magnifique, qui était autrefois incontestable, son introspection envers cette langue étrangère indubitablement plus forte que celle des natifs, au fil du temps s'est affaiblie. La nuit venue, le professeur ne tarde plus à engloutir le dîner. Ensuite, il s'approche du lavabo et se lave les mains. Il se voit dans le miroir. Une vie ratée : est-elle distincte de celle d'un enfant gâté ? Tous ses efforts et toute sa valeur académique : seraient-ils destinés à se dissiper comme les bulles entrevues dans un rêve ? Se réveiller, c'est une malédiction ! Il convient d'endormir l'ens...

Journal matinal - 4

  J'écris parce que je n'arrive pas à écrire. Les mots, les phrases, l'utilisation de la ponctuation s'éloignent de moi. Dès que je me mets à écrire, que je prends soigneusement ma plume, et que je caresse son corps avec mon pouce - tous ces petits coquins s'en vont. Cela me rappelle mon ex. Elle détestait l'authenticité car cela lui semblait contre nature. Elle méprisait les caresses, les câlins, comme si on les faisait exprès pour montrer un amour prétendu. Lorsque j'étais entièrement à elle, avec tous mes désirs, toutes mes haines, tous les hauts et les bas, elle se tenait à l'écart. Je suis tombé amoureux d'une passion jamais imaginée, je la voulais, mon cœur ne connaissait rien d'autre qu'elle. J'exprimais mon amour avec grandiloquence et avec une langue corporelle que je ne pouvais posséder auparavant. À ce moment-là, elle m'a chuchoté : « Tu es une petite bête ! » Elle a apprivoisé mon enfant intérieur. « Je ne veux que toi », ...

গোচরণ, গবেষণা

  দু একটা গরু আর বাছুর কখনও সন্ধ্যেতে, ভুলের আরাম পেতে জল আছে ভেবে মুকুন্দপুর থেকে বাইপাসে উঠে আসে ঠিক ; তখনই মালুম হয়, ওরা কত গোবেচারা। কারো গায়ে বাদামীর ছিটে, কেউ কেউ কালো ; এ পাড়াতে মজুরেরা থাকে বলে ধবলীরা এদিকে আসে‌না। নিয়ন বা হর্ণের কাটাকুটি দেখে ওরা একটু ঘাবড়ে গেলে এ পাড়ার কেউ কেউ ওদেরকে জল‌ দেয় ; তবে, লটারি পেয়েছে ভেবে দোকানের কাছে গেলে দোকানি খেদায়। সমস্ত বিকেল পর এক একটা বাইপাস, একা গোধূলির মত গাঢ়। তখন এটুকু বুঝি, আমিও তো‌ কতবার ভুল‌ করে ঢুকে পড়ে গেছি - অনাহূত, শিং ভেঙে বাছুরের‌ দলে। আমাকে ডেকেছে দানাপানি দিতে হায়াতে বা সামপ্লেসে সাদা চামড়ার ফরাসীরা। ব্লেজার ঝাড়ার পর সারভাইভালের চাহিদা গুঁড়ো হয়ে পড়ে গেলে মনে পড়ে, এটাও‌ তো কোয়েস্টে সামার সেলেতে গিয়ে কেনা‌। এসবে কী হল তবে? কী‌ আর এখন হবে? ধবলীরা এদিকে আসেনা। ১২ মার্চ, ২০২৩