Skip to main content

Posts

Showing posts from February, 2026

অনাদায়

  ১। যে আঁচেতে পুড়ে যাওয়া একটু একটু করে, সে আগুন তোমার তো নয় জানি। তবে? বসুধা কুটুমবাড়ি, অতএব পুড়ে যেতে হবে। কোথায় জ্বলছে পেট, কোথায় চাকরি, বাড়ি, যেদিকে তাকাই সবাই ছুট্টে আসে, জন্মপঞ্জি নিয়ে। মা বাবার পরিচয় চায়। ওরা বলে, দেখছ না? একই তো পেটের ফল। আর বল্‌, পাপ নিবি কি না? এই পাপ আমাদের একা করে কোন খাদে নিয়ে যাবে, এখনও জানি না।       ২। এমন করলে কেন? বুঝেছিলে মৃত্যু আসীন? এ প্রশ্নে একটি রক্তবাণ বিদ্ধ করে, সমস্ত দিন, সমস্ত রাত নির্ঘুম। দিনে রাতে পেয়াদার ডাক, আড়ং ধোলাই আসে আকাশকুসুমে, থাক থাক, আর মেরো না খোদাতালা, প্রভুর দাসেরে। বল সুবিনীত হবে? হব, তবে তোমার জন্যে এই টক্সিক উপোস-কানুন নেশা জানিনা কিচ্ছুটি, শেষ হবে কবে।     ৩। নিজের দূরাত্মীয়, সেই হল এখন প্রথমা। ভেবেছিলে সেটাই দায়িত্ববোধ। একবার হাত পাতলে সেই হাত ফিরে ফেরে, সেটা জানতে না বুঝি? বলেছিল তোমার আত্মজ। আসল আত্মীয় কে? অন্য কেউ? দুরাত্মা? জারজ?     ৪। এটুকু কিছুই নয়। ঢের বাকি আছে। সামাজিক অপমান , পুলিশ , আদালত , পাড়াছাড়া। র...

বৃষ্টিদিন

  অস্তিত্বের দিন যায়, এমনই তো যায়। ফেব্রুয়ারীর শেষ, সকাল এগারোটা। ভোররাতে একচোট ভালোমতো বৃষ্টি ঢেলেছে। এখন কফির মাগ, বাজার ঝাড়াই করা চারমিনার, আর, চাদর, কোলবালিশ, প্যারিস রিভিউ – অস্তিত্বের দিনমান এমনই তো যায়। আরো কিছু কালো করে এল। বাজারেতে ঝগড়া থেমেছে। সস্তায় পাঁচশ দশ, সবজি বাজার। একা ভেজা মার্জার গা চেটে চেটে শুধু নিজের অস্তিত্ব চায়, বিকল তাকায়। সে মুহূর্তে হঠাৎ হাড় হিম। আমিও কপচে নিই শূন্যপন্থা, ইতিহাসে নিজেকে আনখশির ভাবি স্বঘোষিত নীৎসে। আরেকটা মেঘলা দিন, পরিযায়ী বিষাদ আলো শিরায় শিরায়। অস্তিত্বের দিন যায়, অঘোষিত, এমনই তো যায়। ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

Love

  And when I go back to the conversations we had, should I infer that I was harsh and biased? Not yet, perhaps? It was amidst those rainbow morning I loved you. The bear went out for honey-hunting Like a flattened sad A minor chord I drank the nectar And the chocolate sauce dripping from my Decadent lips Like the summer amidst the Thar And you My breath Harnessed all our visceral loneliness with the strike Of your un-dictated vocal fret It was summer It was a summer eve in Khajjiar. And evening crept in As I stroke another dubious chord 23 February, 2019

অনবসরের কবিতা

  দীর্ঘ জীবন ভালো ; দীর্ঘ জীবিকা হওয়া ততখানি নয়। তবু পেটের দায়েতে আর ওষুধের দায়ে তুমি আজীবন চলে যাও, নিজেকে আশ্বস্ত করে, সেইসব বেপাড়ায় যেখানে দায়েতে শুধু মনটুকু বিমা করা যায় না এখনও। ওদিকে স্বাস্থ্য আর জীবনবিমার খাতে এ বছরে খরচ বেড়েছে। তোমারও তো ষাট হল। এখন সন্ধ্যে মানে চাদর, বালিশ আর ঊর্ণনাভের মত বিছানা জড়ানো। রাতেতে সেদ্ধ ভাতে আলুনি আলুর ধমকানি – আজকাল ভুলচুক বেশিই হচ্ছে। দীর্ঘ জীবিকা ভালো নয়, ভালো নয় ভুলে যাওয়া নালিশ খাতায় কিছু এন্ট্রি এসেছে এই মাসে। জীবনে এও হল? হে ঈশ্বর! আর কত গালেতে চালিয়ে যাবে অদেখা আঙুলছাপ? আর কত জীবন-জীবিকা বাকি আছে? ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

অনর্থকী

কাগজ,‌কলম – সাদা বালিশও অস্থির, আর চুল এলোমেলো।  প্রয়োজন নেই আর কবিতার স্নিগ্ধতা। রুটি আসে নিয়মিত পাড়ার হোটেল থেকে,  ডিমের কারি। এটুকুই প্রয়োজন। সময়েতে স্নান, খাওয়া, চেরা চেরা অনুর্বর ঘুম, নিরাসক্ত লেখনী। এই নিয়ে ক বছর হল, কাগজেতে, ম্যাগাজিনে একটাও কবিতা লেখো নি? ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

The Certainty of Not Loving

  There comes a time when, after being fecund out of love for a prolonged decade or perhaps longer, the waiting becomes certainty. It becomes a habit that embraces you. The desire to hope to be in love, to be enchanted, cuddled, to make it loud and clear or privately whisper it, fades. It becomes a state, a condition of living. It still heaves, still pines for something more intimate and endearing, but the void does not ache. It screams in the subconscious but never growls like a metal rock vocalist. Actually it never did. It never proclaimed, nor reclaimed love. So perhaps it was never there. A lot of love always needed proclamation. A sense of utmost sadomasochism which she would call security and wit. And she is not wrong. She merely views it, wants it that way. You cannot impose your definition, but as a believer in divinity and luck, you can yearn for another year of oscillating between solitude and loneliness. What you actually wanted was social inclusion and acceptance, wors...