শেষ বলে কিছু নেই সিনেমাতে অঞ্জন দত্ত "আগুনের পরশমণি' গানটা ব্যবহার করেছিলেন। বহুদিনের অনভ্যাসের স্মৃতির ফোঁটা; তবু কপালে এখনো চড়চড় করছে। আমি ২০১৪তে এক স্কুলে ফ্রেঞ্চ পড়াতাম। একদিন ফ্রেঞ্চ টিচার্স রুমে আমরা কথা বলছি। পাশের মিউজিক রুম থেকে শুনতে পাচ্ছি প্রথমে একটা কাশি। তারপর একটা চিৎকার, তারপরে shriek. কান ফাটানো, কলজে ঠান্ডা করা একটা shriek. তার বেশ অনেক দিন পর 'আগুনের পরশমণি' গানটা সাথে যীশুর(অ্যান্ডির) অভিনয় দেখি।বিছানা কুঁচকে ছিঁড়ে ছিঁড়ে যাচ্ছে। অ্যান্ডি ঘামছে। কপালে ঘাম, অসহ্য ছটফটানি, সম্পূর্ণ withdrawal অথবা seizure. অঞ্জন দার চরিত্র দূরে দাঁড়িয়ে। চোখ ভিজেছে, দপদপ করছে। এক মুহূর্তে ওই দুপুরের কথা মনে পড়েছিল যে, আমরা কীভাবে আমাদের মিউজিক টিচারকে নারকেল তেল বা মোজার ঘামের গন্ধ শুঁকিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করেছিলাম। ভাস্কর চক্রবর্তীর মত ওঁর(অঞ্জন দত্ত) চরিত্র কোথাও সিনেমার ঠিক এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নিজেকেই বলছে, "শান্ত হতে হবে, আরও শান্ত হতে হবে।" একসময় যীশু(সেনগুপ্ত)র ছটফটানি থেমে যায়। একটা দৃষ্টি; শূন্য দৃষ্টি। রবীন্দ্রনাথ, অঞ্জন দত্তের সিনেম...