Skip to main content

Posts

Showing posts from March, 2022

Evening

The eyes have it all. His incessant flow of curiosity during my French lessons, the distinctive early teenage tenderness of face muscles hiding the cheekbones and the penetrating unsteady enthusiasm in his gaze - the eyes capture everything. But it has been six years. The face develops a tad slower than the intellect during the salad days; still, he was the first to recognise me despite the facemask. While we chatted wholeheartedly about our present professional and academic endeavours, our goals and vision of life, how the pandemic alienated us and our social network(not the virtual one) shrunk drastically, my gaze was fixated on the softness and its obliterative trace which still remains in his recently deserted teenage face. I noticed his radiating smile, his jawlines, the uneven skin of his lower lips, his neatly brushed teeth and the mild pink hues in his tongue when he licked the upper lip while speaking. From a distance I felt I could smell, touch, fondle and caress the nape of ...

অভিবাসন

  রাতে আমার কোনো বাড়ি নেই। সমস্ত শহরের গলি নিজস্ব মনে হয়। কুকুরের ভাষা, দেয়াল লিখন হন্তারক বাইক-বাহিনী আর যা যা রক্তাক্ত করে, কানের পর্দা কেটে যায় সবকিছুকেই বলি, 'ভালোবাসি, খুব ভালোবাসি'। মৃদুভাষী, তফাৎ যাও! কলকাতা - দেখো, কীভাবে ডাগআউট পেরিয়ে সাদার্ণ এভিনিউ আলোক সরকারে ছেয়ে আছে। কিশোরীরা বুড়ো হচ্ছে, তরুণীরা ধুঁকছে ধোঁয়ায়, যুবতীদের মধ্যবয়সী সিঁদুরে উজ্জ্বল গোলাপী দেখাচ্ছে। কোথায় ফিরবে আর? কোন আশ্রয়ে? প্রেম দেবে কোন প্রশ্রয়? শহর ফেরার। সজল গঙ্গার পাড়ে আশরীর মায়া লেগে যায় তোমার বস্টন, শোন, জেগে ওঠে আমার বনগাঁয়। ৮ অক্টোবর, ২০২১

বুদ্ধ ও উটপাখি

  যদিও প্রত্যক্ষ নয় তবু পরোক্ষ অনেক সূঁচের মতন আঘাত ফিরে আসে। দুপুর বিকেল হয়, বিকেল বিকল হয়, বিকলাঙ্গ কুকুর চেটে নেয় ল্যাজ - পারঙ্গমা। তবুও শ্মশানের ঝিকমিক অলৌকিক স্তব্ধতা আমাদের সীমাবদ্ধ করে। আমাদের মধ্যে এক অভূত বুদ্ধ জেগে ওঠেন। ক্ষমা, ক্ষমা সৎ চেষ্টা বা সম্যক সমাধির মত। আর কত ক্ষমাশীল হব? চেষ্টা, চেষ্টা ধুর শালা খুলা সান্ড, শেয়ার বাজার সম্যক জীবিকা কে দিচ্ছে, তোর বাবা? সমাধিটা ভালো, ভালো! অতএব সমাধিস্থ হব। কাল খবর পেয়েছি বিপাসনা অভ্যেসে ১০দিন কেউ কারো পরোয়া করে না - শুধু, শব্দেরা শ্রমিক হয়ে যায় কাল থেকে, Appraisal-কেই শ্রমিক বানাব। ৮ মার্চ, ২০২২

মসিজীবী

এ সমস্ত আবহমান - অর্জিত ফসল কিছুটা। ধুলোর রোদেরা ওড়ে এখনও দুপুরবেলা, আলো ধারাবাহিকের পর ধুয়ে নিই কলম, পাতাটি অসহ্য মনে হয় আমাদের দেউলিয়া জীবন-জীবিকা। বইও তো বিক্রি খোঁজে। ছাপাখানা, বিপণনকারী  দারিদ্র্য মিশুকে নয়, দর্শনে বুরিদানী গাধা অকৌতূহলী হয় - পেশা না লেখার দিকে যাবে? অথচ বিকল্প খোঁজে সবাই রোদের কথা বলে। ও.টি.টি ধরেছি আর সিরিজে লিখছি,  টাকা আসে। সিরিজ লেখার পরে কী-বোর্ডে, স্যানিটাইজারে লেগে থাকে শুদ্ধির গ্লানি, মিশকালো। বইমেলা সাক্ষরে আরও তো বিক্রি করা বাকি, ধুলোর রোদেরা ওড়ে এখনও দুপুরবেলা, আলো। ৪ মার্চ, ২০২২

How to Kill a Tree

 First, they killed my brain. A knife that preaches their voice Shove off my hairs. Next, I was left alone for a month In a chamber "Water? Water?" - echoed the holocaust membrane. The soil was fecund, The sap still sang of immortal bees. Last, they pushed the venom inside My cells And my precarious chlorophyll finally Turned blue. A blue-blooded murder. Right away, I sang for them  my songs Untrue. 3 March, 2022

শুদ্ধ সারং ও শৃঙ্গার

ভেঙ্গে পড়তে নেই, শতদ্রু। পৃথিবীতে যতদিন কল্যাণ রাগের স্বর জীবিত আছে, ততদিন ভেঙে পড়তে নেই। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছ? "পৃথিবীর গভীর, গভীরতর অসুখ এখন" । তাই সবাইকে আর বছর কুড়ি পরে, মাসে একবার করে হাসপাতালে থাকতে হবে। অথচ কী আশ্চর্য দেখ, কেন যাও হাসপাতালে? সুস্থ হবে বলে, বেঁচে যাবে বলে। বোন ambulance ডাকে। তোমার প্রতিবন্ধী বাবা বিপন্ন হন; আরও বিষণ্ণ হন। পাড়ায় সন্ধ্যেবেলা আসে oxygen cylinder ভর্তি গাড়ি। শূন্য চোখে জোরে জোরে নিঃশ্বাস নেন তোমার মা, প্রার্থনা করেন। কেন? শুদ্ধ সারং আছে বলে তাই, এখনও তুমি হাসপাতাল থেকে লাফিয়ে বাড়িতে ঢোক - তাই। পরশু তুমি সকাল ন'টায় হাসপাতালে গেছ। আমি দু'বছর পর, জানো, তাই শুদ্ধ সারং নিয়ে বসলাম। কল্যাণের আশ্চর্য সন্তান এক এই রাগ। এখন জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন, শতদ্রু। তাই পৃথিবীতে আর কোনদিন ভাই-বোনেরা, কাকা-জেঠুরা জন্ম নেবে না। তবে একসময় নিত, যখন জন্মেছিল শুদ্ধ সারং। মায়ের বেখাপ্পা ছেলে, বাবার অবাধ্য ছেলে। কল্যাণের সমস্ত সন্তান যখন তাই স্বভাবে পেলব, আবেগে কমনীয়, তাদের চোখ ভিজে যায় অল্পতে, রোদের আলো সহ্য করতে পারে না কেউ, তখন এই অসংজ...

সমাধি

  বিকেলের স্নায়ু ছুঁয়ে বারান্দায় নেমে এল অলৌকিক রোদ। আর কিচ্ছুটি ভাবব না।  বেশ এই বসে থাকা। নিরালম্ব, নোনাধরা ভাবুক পশ্চিমের আলো সামগ্রিক অবাক হওয়া। আজ আর কেউ অবাক হয়না, জানো? সবকিছু স্বাভাবিক। বিরুদ্ধস্বর, চাকা জ্যাম, আত্মায় বিরোধাভাসের লাল ছিটে স্লোগানে ফাটা মাথা, পাঁজরায় কুকুরের দাঁত এমনকি বেয়নেটে ফুল -- কোন কিছু আমাদের আশ্চর্য করে না। বেশ এই বসে থাকা একমাস, দুইমাস, ছয় মাস  একবেলা ডিম খাওয়া, "ও অফিসে কথা বলছে তো, হয়ে যাবে, হয়ে যাবে" "সস্তার চালগুলো এখনও রেশনে দেয়" - এই সান্ত্বনা। বিকেলের স্নায়ু ছুঁয়ে নেমে এল বারান্দায়  অলৌকিক রোদ। আর কিচ্ছুটি ভাবব না।  ১ মার্চ, ২০২২