লক্ষ্মীমন্ত এক অপার সফেন চোখ, বুকেতে আঁচর কেটে গেছ
কপালে বলির ছাপ চব্বিশে। এসব প্রত্নস্বর, স্মৃতি।
মনের বয়স বাড়ে, শরীরেতে ক্লোরোফিল ঠোঁটের রিনিকে, তার লেশ-ও
দূরত্বে দিলে না আজ।
দেবতা দেখেন মিটিমিটি
আমার বর্ষালাপ, ভারাতুর রাত আর উজাগর ডায়েরীযাপনে
কীভাবে উগরে দিই বিছানার স্বাদ আর প্লাবিত অকৃতকর্ম রতি
তোমার সফেন সালোয়ারে। আরে বলি, "ওহে ঈশ্বর, পতিতপাবন হে -
এ সেতু সম্ভব হোক। তুমি তো জানোই, ও গো, গতির অধোগতি
তোমাতে লিপ্ত হয়।"
নঞর্থ ভাবি তাই, বাইবেলে বেদবাক্য জানি
আকস্মিক মিলে যাব এভাবে কখনও,
দার্জিলিংয়ে,
শীতে,
কুয়াশা-লিপ্সিত।
প্রতিধ্বনিত শুনি অলৌকিক প্লুতস্বর, নখদ হয়রানির
দাগ - শুধু ব্রহ্ম জেনেছি : উজ্জ্বল হরিৎ কি বা পীত।
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
Comments
Post a Comment