সারারাত ধরে জানাতো- কেমন অনামুখো
আমি, তাই ও অসফল হতে পারছে না
সকালে বলছি ব্রাউনিং পড়ো, রাতে উগো
পাব ছেড়ে বই পড়ার এ রোগ সারছে না।
তারপর এল ভীষণ পরব- গৃহপ্রবেশ।
আমাকে বলল, "পাপা কো লে আনা, আনা জরুর"
হাঁড়ি ক্ষীর দই নবদ্বীপের আর আম সন্দেশ
"এত কি ও খাবে?", মনে বলি - "যা কোমর সরু"।
এভাবেই ছিল নয়ডা থেকে কনাট প্যালেস
আমার স্বপ্ন, নতুন শহরে রাজস্থান
অথচ যা অ্যাপ্রিশিয়েটিং ওর অ্যাসেট
সেখানেও জ্বলে চুনি অথবা বিবস্বান।
আংটি পড়িনি হয়তো বা তাই লিখছি আজ,
৩০ হাজার দামি লেগেছিল, ফল তারই
দাম দিতে হয় সংখ্যাতে নয় বারংবার
যাকে দিতে হয়, সেই ফিরে আসে দলে ভারী।
সেদিন মদেতে ভেসে যাচ্ছিল আমার ঘর,
আমাদের বিছানাতে বাদশার আওয়াজ খুব,
রান্ধবা, জিপ্পি, গুরুদাস মান... "অসম্ভব",
বাবা বলেছিল। নেমে আসে পরাহত চিবুক।
আর কত হেরে যাব? বল, বল? অফিস পার।
এবারে ওসবে হচ্ছে না আর দিন কাবার
শেষেতে লিখছি যেভাবে এবার লিখতে চাই-
সেতু অফুরান, মানুষ সীমিত :- মানুষ তাই।
২৯ এপ্রিল, ২০২২
Comments
Post a Comment