দীর্ঘসূত্র, দীর্ঘসূত্রী দিন
খানিক দুপুর, ভোরও বলা চলে
জলের আদর বিঁধছে ঘাড়ে, পিঠে
মেয়েটির নাম দুপুর, কাজল, রিনি?
বেলপাহাড়ীর বেভুল বর্ষা-শীতে।
বর্শা এখন বৃষ্টিতে খুব দারুণ
চমক শুধু, বুদ্ধি মনে মাথায়
চমৎকৃতা পাশের বাড়ির মে' তো ...
কাঁধ ক্লিভেজে সুঠাম পেশির হাতায়
এমন দুপুর কোথাও তো নেই কেউ আর
মেঘ-দুপুরে ধরছে পুঁটি গ্রামীণ।
কয়লাজমির খোকার হাতে রাখা
পরিণামের একশ' টাকা জামিন!
পায়ের মাসল্ আলগা হয়ে আসে,
এত সাদায় চোখের আরাম নামুক
লালের ছিটে, বিবর্ণ তার চোখে
জলের গতি নিছক পেলব শামুক।
সব দুপুরই দীর্ঘসূত্রে নামে।
প্রজাপতির পায়ের ফাঁকে জবাই
চিলেকোঠায়, কেউ কখনো মাঠে
অসমধারায় ভিজছে এখন সবাই।
চমৎকৃতা পাশের বাড়ির মে' তো
জিভের কামড় ঘাসের পশম কাটুক
ঘাস পেরোলেই অসমসাহস মেঘে,
দাঁতের আকার - চাবুক,
চাবুক,
চাবুক!
১৪ অগস্ট, ২০১২
Comments
Post a Comment