বিকেল এমন বজ্জাত হয়েছে
মিলিয়ে দিচ্ছে কিছু সতেরোর শিশুকাল।
বর্ধমান কথার বাঁধন
দুর্নিবার শব্দকল্পে গড়া ব্যক্তিগত প্রিন্সেপে নৌকোবিহার।
বিকেল এমন বেয়াক্কেলে
যে বায়নাক্কা না করে আঙুল উঁচিয়ে বলছে
এই যে তিরিশের বিবাহিতার সবুজ আদরচুল
ওতে তর্জনী মাপো।
সপাটে সোফায় আনো
বাসুকীর ফনা জেগে উঠুক
স্বাগতে, বিন্যাসে
বিকেলেরা এত হায়াহীনা
যে নিজের ছায়াও আজ
সুশোভন, পাশে
দাঁড়ালে ভয়েতে দেখি সতেরোর কিশোরীর
হরিণ চোখের আলো
কে যে ভোলালো?
কেই বা নেভালো
সব্যসাচীর মত অনেক বার্তা-জানালায়?
আমিও কি নই নাকি আরেক পান্ডব?
ভাগেতেই মিলে যায় যে সব অস্থায়ী যোগাযোগ
তাতে তুমি সৃজিত সৃজনী
সমস্ত ভাবনা, হায়া যাক যাক চুলো বা চুল্লিতে
তবু আমিই পুরুষ জেনো।
আজও কেন এতটা এভাবে,
তোমার দিঠির কাছে ঋণী?
২ জুন, ২০১৮
Comments
Post a Comment