সমস্ত পৃথিবী মনে হয়, এখন
তবুও গ্রন্থিভাঙা রাত শেষে সম্পর্কেরা চায়
অগ্রন্থিত লেখা থাক আমাদের আদুরে কবিতা।
অথচ এ গ্রন্থির পূর্ণতা একেকটা যুগের নিয়মে নিয়মে
বছর খানেক লেগেছিল।
পরীক্ষা-ফলাফলে নিরবিচ্ছিন্ন ব্যবধানে,
আমাদের শুরু হোক আরেক দৌড়নামা,
অন্তত,
আরেকটা ক্র্যাশ কোর্স হোক।
নাহলে, নিদেন আনো ক্লায়েন্ট নতুন।
ওয়াটারফল খুব ক্লিশে।
ওরা শালা, নিজেই কি জানে কী চায়?
স্প্রিন্ট টানো, অ্যাজাইলে ;
ম্যারাথনে টনটনে মাংশপেশীরা না হয় ছটাক খানেক
কেঁদে নিক, খোলাই তো আছে -
কার্নিশে...
এটুকু বিষম বাধা।
তবুও বিষম গিলে নেওয়ার আগেতে
প্লাস্টিক হেসে যাওয়া ছোঁয়াচে, জান তো, খুব?
হাওয়ার চেয়েও গতিময়।
কারণ, আমাদের এক একটা আদুরে প্রলাপ আর
শব্দের অবাধ্যচারিতা মেনে একেকটা যুগ ধরে তৈরি করা
মেধা আর মেধাবী কবিতা লেখা -
তার বিন্যাসটুকু সকলের কাছে মোটে
এখনও সহজবোধ্য নয়।
২২ জুন,২০২৩
Comments
Post a Comment