যখন তখন মৃত্যু এসে পড়ে,
গলাধাক্কা দেয়
(ভাগ্, ভাগ্)
অক্ষরে, অক্ষরে।
এই লাইনগুলোর দিকে তাকাচ্ছি।
তাকাচ্ছি মধ্য কলকাতার এক পুরোনো পাবেতে,
(নজরুল এখানে কখনও খেতে এসেছিলেন)
পাশের টেবিলে।
বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যা।
কারও চোখ সাকুল্যে চল্লিশ পায়না।
এভাবে বাঁচতে হবে আশরীর,
শরীরটুকুকে নিয়ে।
যার কাছে আজন্ম ঋণী তুমি।
অথচ তিনি,
হ্যাঁ, হ্যাঁ, তিনি,
যার তরুণী ভার্যা, বৌদিবাজির আন্দাজে
তাকাচ্ছিলে এটুকুই ভেবে,
তাচ্ছিল্যতাস্বভাবতঃই
টেবিল বদল করে নিল।
এবার বাড়িতে ফের,
আর নিজেকে আজন্ম শুষে খাও,
বল –
কিছু কি দোষ আছে
এই আত্মহননেচ্ছা স্বভাবে?
২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
Comments
Post a Comment