Skip to main content

Posts

I Want to Breathe the Same

In your dead sleep, or death, you look the same. The same old, dilapidated corpse, exhausted for breath. Your lungs feel bout de souffle, yet all the air the earth can spare seems insufficient for one more breath, one inhale, one exhale, to breathe you into dire wakefulness. That is how I pine for CPR from your untamed tongue, your unquenched lips, when I sleep, caught in my nightmare, under the torpor of a palaysed sleep, waiting to wake and hear you say: Yes. Oh yes, honey! I am here. We are together. 5 October, 2026

About the Light

When I think of night, I think of a gentle spider mating with a spidress. I think of mating in the dark, but asking for one mellow lamp. A perfect mating needs no groping, but a little illumination, a little intimacy, not too bright. When I think of night, I ask my students to write a perfect sentence. They demand instead how their perfect monsoon and winter days should be: a G major, or an A minor seventh, a drink at the desk, a smoke along uneven ruelles. Perhaps this is how their youth will end, under unabashed supremacy, or regressive rings and amulets worn on fingers, on arms, with the arm and the desire still reaching for the dark.

"এভাবেই হোক না হাঁটা"

আজকাল বৃষ্টি হলেই পাটুলির গলির ভেতর ছাতিম ফুলের গন্ধ পাই। প্রত্যেক চলাচলের পথের একটা নিজস্ব গন্ধ থাকে। দিল্লির পরান্ঠে ওয়ালে গলির পোড়া তেলের গন্ধ, লক্ষ্ণৌয়ে মোহন মার্কেটে তুন্ডে কাবাবির গন্ধ, বেনারসের গলিতে গোময়ের সোঁদা আরদ্ধ গন্ধ - এসব তো পরিচিত, জানা। কিন্তু সেই সমস্ত বিকেলের কথা মনে পড়ে, যখন বাগবাজার ঘাটে, ময়দানে অথবা আলিয়ঁস ফ্রঁসের সামনে দাঁড়ালে একটা নির্দিষ্ট গন্ধ পেতাম।  আমার অনেক ঘুরতে যাওয়া আসলে শুধু ছবি নয়, বরং সুনির্দিষ্ট কিছু গন্ধ আর শব্দের স্মৃতি। পাড়াতে সাইবার কাফে মাত্র একটিতে এসে ঠেকেছে। আজকাল ও পথ মাড়াই না ; মন খারাপ হয়। সেই ডেস্কটপগুলো দেখতে পাওয়া যায়। ওগুলো আর চলে না ; তবে রাখা আছে। তেমনই মন খারাপ হয়, হাইল্যান্ড পার্ক মেট্রোপলিস মলে এখনও সিনেমা দেখতে গেলে। ডলার স্টোর ছিল বোধহয়। আমেরিকার সেরা কোক কিংবা সেরা ক্যান্ডিটা কলকাতায় ওখানেই পাওয়া যেত। তবে আমার এ কথা স্মৃতিমেদুরতার আবেগে জবজবে ন্যাকামি নয়। আমার মনে হয়, সবই তো যাবে। যাওয়ারই কথা। কিন্তু, এভাবে ভেঙেচুরে দিয়ে কেন চলে যাবে? দোকান বন্ধ পড়ে আছে। আইনক্সের স্ক্রিন ওয়ান দিয়ে বেরোলেই দেখা যাব...

সমস্ত তুলসী গাছ নারায়ণ

সমস্ত তুলসী গাছ নারায়ণ - দাদুর এই আপ্তবাক্য মানতে মানতে  মাথায় আজকাল ধরে রাখতে রাখতে  আমি বেরিয়ে পড়ি, দেশভ্রমণ।  অজ্ঞেয়বাদী নারদের মত গ্রীষ্মে, বর্ষা, শীতে বাচিক, উপাংশু ও মানস, সমস্ত পদ্ধতিতে, জপ করি - নারায়ণ, নারায়ণ আমাদের পায়ের তলায় ঋতু বদলায়  আমার নিজের মেয়ে হয়ে ওঠে ঋতুমতী। কিন্তু, "নারায়ণ, নারায়ণ - সমস্ত তুলসী গাছ নারায়ণ" - এ বাক্যব্রহ্ম আমায়  পরশপাথরটুকু দৈবাৎ দিয়ে যাবে বলে  কখনও ক্ষ্যাপার মত, কখনও সাধ্যাতীত কৃপণ বানিয়ে বলে- হে তাপস, খুঁজে নাও।  নারায়ণ, নারায়ণ আমি তাই উবু হয়ে বসি সমস্ত তুলসীগাছে,  মাধুকরী, পাথেয় বা পার্থিব অবহেলার কাছে। গোড় করি - নারায়ণ,‌ নারায়ণ।  উপাংশু স্বরে বলি - ভবান্, আমি তো অজ্ঞেয়বাদী  অথচ, তুমি তো ঠিক রাস্তার ধারে ফুটে আছো  অযত্নে।  নারায়ণ, নারায়ণ তোমার ক্ষমার কাছে বসি, আর দ্রব হয় আমার যা কিছু ছিল অবিশ্বাস, প্রখর যুক্তিবোধ, ধনতান্ত্রিক করুণাপ্রবাহ। ক্ষমা করো, ক্ষমা করো,  হে অধোগতি তারণ! জল খাবে? তোমায় সুস্থ করি ত্রিভুবনেশ্বর, ('আমায় নইলে তোমার প্রেম হত যে মিছে' ই...

A Sonnet about Enough

When dubious life seems thoroughly unfair, Melatonin sinks; the clocks wail through the night; Tiresome days pursue their nights of care, Yet still the road ahead denies my sight. The peacock's feathered crown the hen may tear, Yet neither flares, but sneezes at the light; For all diurnal blood conspires with care, While septuagenarian mist haunts our night. In theory, everyman kills what he'd be, For kin, for society, or Macbeth's height; He outdoes self, and learns not “enough” to see, From salad days to stoic circles' plight. Thus I know myself as ascetics knew: Till this day's done, I'm neither me nor you.

দিকভ্রম

 কীভাবে পথের বাঁকে মিলে গেছে আরেক গভীরতর বাঁক সে কথা জানি কি আমি? জানে রাজহাঁসেদের বাঁক কে নিল বাঁকের দায়? কে তুলেছে গোলাপের লাল? তোমার গালের টোলে মিশে আছে সবুজাভ আল। সে সবুজে ভোর নেই, রাতময় জোনাকিরা জানে আশরীর কুয়াশায়, তবু ওরা বেঁচে আছে প্রাণে। কে নেবে পথের দায়? কে মেলাবে উচিৎ আর পাওয়া? না মিলুক। তবু তো তোকে জানে এ চোখের সকরুণ চাওয়া!

উজাগর

ঘুম নেই। তবে, আর বেশি কিছু বলব না। তোমার সানুদেশে এটুকু করুণা রেখে যাব। বাতাস ফলাব। কী করে বলতে হয় বেশি কিছু? ভাষা ধার করে। প্রতিধ্বনি আর পার্টি অফিস :  এর সাথে ইন্টারভিউ, সফলতা  সবকিছু মেলে।  ফারাক মেনেছে কেউ কই? বেশি কিছু বলব না। বললেই খসে যাবে  দৈব চুমুর আরও বেঁধে বেঁধে থাকা। যা চাইছ, এটুকুই-  সব মেনে নেব,  মেনে নেব, সোনা! সত্যি বলছি, জান? আর বেশি কিছু বলব না। ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩