সমস্ত তুলসী গাছ নারায়ণ - দাদুর এই আপ্তবাক্য মানতে মানতে মাথায় আজকাল ধরে রাখতে রাখতে আমি বেরিয়ে পড়ি, দেশভ্রমণ। অজ্ঞেয়বাদী নারদের মত গ্রীষ্মে, বর্ষা, শীতে বাচিক, উপাংশু ও মানস, সমস্ত পদ্ধতিতে, জপ করি - নারায়ণ, নারায়ণ আমাদের পায়ের তলায় ঋতু বদলায় আমার নিজের মেয়ে হয়ে ওঠে ঋতুমতী। কিন্তু, "নারায়ণ, নারায়ণ - সমস্ত তুলসী গাছ নারায়ণ" - এ বাক্যব্রহ্ম আমায় পরশপাথরটুকু দৈবাৎ দিয়ে যাবে বলে কখনও ক্ষ্যাপার মত, কখনও সাধ্যাতীত কৃপণ বানিয়ে বলে- হে তাপস, খুঁজে নাও। নারায়ণ, নারায়ণ আমি তাই উবু হয়ে বসি সমস্ত তুলসীগাছে, মাধুকরী, পাথেয় বা পার্থিব অবহেলার কাছে। গোড় করি - নারায়ণ, নারায়ণ। উপাংশু স্বরে বলি - ভবান্, আমি তো অজ্ঞেয়বাদী অথচ, তুমি তো ঠিক রাস্তার ধারে ফুটে আছো অযত্নে। নারায়ণ, নারায়ণ তোমার ক্ষমার কাছে বসি, আর দ্রব হয় আমার যা কিছু ছিল অবিশ্বাস, প্রখর যুক্তিবোধ, ধনতান্ত্রিক করুণাপ্রবাহ। ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, হে অধোগতি তারণ! জল খাবে? তোমায় সুস্থ করি ত্রিভুবনেশ্বর, ('আমায় নইলে তোমার প্রেম হত যে মিছে' ই...