Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2026

সমস্ত তুলসী গাছ নারায়ণ

সমস্ত তুলসী গাছ নারায়ণ - দাদুর এই আপ্তবাক্য মানতে মানতে  মাথায় আজকাল ধরে রাখতে রাখতে  আমি বেরিয়ে পড়ি, দেশভ্রমণ।  অজ্ঞেয়বাদী নারদের মত গ্রীষ্মে, বর্ষা, শীতে বাচিক, উপাংশু ও মানস, সমস্ত পদ্ধতিতে, জপ করি - নারায়ণ, নারায়ণ আমাদের পায়ের তলায় ঋতু বদলায়  আমার নিজের মেয়ে হয়ে ওঠে ঋতুমতী। কিন্তু, "নারায়ণ, নারায়ণ - সমস্ত তুলসী গাছ নারায়ণ" - এ বাক্যব্রহ্ম আমায়  পরশপাথরটুকু দৈবাৎ দিয়ে যাবে বলে  কখনও ক্ষ্যাপার মত, কখনও সাধ্যাতীত কৃপণ বানিয়ে বলে- হে তাপস, খুঁজে নাও।  নারায়ণ, নারায়ণ আমি তাই উবু হয়ে বসি সমস্ত তুলসীগাছে,  মাধুকরী, পাথেয় বা পার্থিব অবহেলার কাছে। গোড় করি - নারায়ণ,‌ নারায়ণ।  উপাংশু স্বরে বলি - ভবান্, আমি তো অজ্ঞেয়বাদী  অথচ, তুমি তো ঠিক রাস্তার ধারে ফুটে আছো  অযত্নে।  নারায়ণ, নারায়ণ তোমার ক্ষমার কাছে বসি, আর দ্রব হয় আমার যা কিছু ছিল অবিশ্বাস, প্রখর যুক্তিবোধ, ধনতান্ত্রিক করুণাপ্রবাহ। ক্ষমা করো, ক্ষমা করো,  হে অধোগতি তারণ! জল খাবে? তোমায় সুস্থ করি ত্রিভুবনেশ্বর, ('আমায় নইলে তোমার প্রেম হত যে মিছে' ই...

A Sonnet about Enough

When dubious life seems thoroughly unfair, Melatonin sinks; the clocks wail through the night; Tiresome days pursue their nights of care, Yet still the road ahead denies my sight. The peacock's feathered crown the hen may tear, Yet neither flares, but sneezes at the light; For all diurnal blood conspires with care, While septuagenarian mist haunts our night. In theory, everyman kills what he'd be, For kin, for society, or Macbeth's height; He outdoes self, and learns not “enough” to see, From salad days to stoic circles' plight. Thus I know myself as ascetics knew: Till this day's done, I'm neither me nor you.

দিকভ্রম

 কীভাবে পথের বাঁকে মিলে গেছে আরেক গভীরতর বাঁক সে কথা জানি কি আমি? জানে রাজহাঁসেদের বাঁক কে নিল বাঁকের দায়? কে তুলেছে গোলাপের লাল? তোমার গালের টোলে মিশে আছে সবুজাভ আল। সে সবুজে ভোর নেই, রাতময় জোনাকিরা জানে আশরীর কুয়াশায়, তবু ওরা বেঁচে আছে প্রাণে। কে নেবে পথের দায়? কে মেলাবে উচিৎ আর পাওয়া? না মিলুক। তবু তো তোকে জানে এ চোখের সকরুণ চাওয়া!

উজাগর

ঘুম নেই। তবে, আর বেশি কিছু বলব না। তোমার সানুদেশে এটুকু করুণা রেখে যাব। বাতাস ফলাব। কী করে বলতে হয় বেশি কিছু? ভাষা ধার করে। প্রতিধ্বনি আর পার্টি অফিস :  এর সাথে ইন্টারভিউ, সফলতা  সবকিছু মেলে।  ফারাক মেনেছে কেউ কই? বেশি কিছু বলব না। বললেই খসে যাবে  দৈব চুমুর আরও বেঁধে বেঁধে থাকা। যা চাইছ, এটুকুই-  সব মেনে নেব,  মেনে নেব, সোনা! সত্যি বলছি, জান? আর বেশি কিছু বলব না। ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

Hey, lovey!

These brooks of love  That drive through the half-deserted evening Tear us apart Like the droplets, percolating through The bond of cave stones. And we rise inside As the natural lotus blooms Stoned and stupified Never meant to breathe and smell  Never meant to smell as we perspire Never meant to breathe the stink of garlic, rotten digested fish  Never meant to write deliberate love poems Without adequate expertise in our vocabulary But to be adored and adorn Our past Our future By the time the vulture rest its paw on us and Holds its head high forever. 13 December, 2017

বিচ্ছেদ

  নেই তো। কিছুই নেই। তাই আমি, না-থাকার থেকে থেকে ধার করে নিয়ে আসি খানিকটা থাকা। আসলে অসম্ভব। ঐটুকু ঐখানে ছিল তাই, ধার করে নিয়ে যাই এই ছায়া, প্রচ্ছায়া – এ শাখা, ও শাখা। আসলেই বানরিমা ভালো। বাঁদরামি মানেই মা-বাপ, বাপান্ত এই ঘাট, ওই বাট, আঁটঘাট জেনে নিয়ে আসলে এমন বলা – দেখো,‌ নেই! আমাদের মধ্যেতে আসলেই কিছু নেই। কেন তবে আকাশকুসুম ভাবো? কেন তবে মানেটাই খুঁজে যাব, খুঁজে যেতে হবে বলো, পরিনীতা, অপাবৃণু রজঃস্বলা? ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অবশেষের আলো

যে আমিকে ছেড়ে আসা, অনিঃশেষ, বহুযুগ আগে, সে আমির কাঁচা চুলে লেগে আছে পচাগলা কালো। এখন অনতিদূরে পরে থাকা অবশেষ আলো কীভাবে ফিরিয়ে দেবে অনুভবী আগের তোমাকে? যে আমি বিষমপদী, একদিন জোরালো হাওয়াতে আজানু প্রলম্বিত ধর্মতলাতে, পার্ক স্ট্রিটে রণপায় ছুটে যায়, বে-আক্কেল বাসের গতিতে ফেরাবার কিছু দায়‌ আছে তার? তালে? পাখোয়াজে? অথচ, দেখতে গেলে প্লীহা, যকৃৎ ফুঁড়ে আসে সেই আমিই আনখশির, প্রতিদিন পলে অনুপলে আলোর সীমানা বেয়ে, বে-কাবু‌ হাওয়ায় – আদখিনা। আলো কি স্বরের পরিবাহী নয়? শ্বাসে প্রশ্বাসে? তোমাকে ডাকছি শোনো মন্দ্র ষড়জে, সম্বলে এটুকুই। দেখা যাক আশরীর তুমি আসো কিনা।  ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দুপুর, ময়দানে

  বলছ, তাই তুলে রাখি দিগন্তের হাওয়া মুঠো মুঠো অশেষ, অসীম আর, ছন্দ কেটে যায় শুধু, তোমার বুকের কাছে এলে। আমাদের শীতে পিকনিক আর ময়দান। এটুকু অলীক দেখা নিপাট, সঠিক। ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

হরমোন

মৃত্যু নয়, অথচ মৃত্যুর মত স্বচ্ছলতা আমায় পেয়ে বসেছে – নির্ভয়, নির্বিকার, নির্ভার। দুপুরে আকাশ থেকে মেঘ, বিদ্যুৎ, রাতে নিরাপদ নিজের সাথে যৌনবৃত্ত।  আমার কি হরমোন কর জোরে এবার বলছে তবে – লিখতে হবেনা কিছু, বিমুখ হও, থিতু হয়ে বসো?  প্রতিদিন এই হাত মোবাইল খোঁজে, আর রাতে প্রতিদিন নেমে নেমে যায়। হরমোন,  আর কিছু থিতু হওয়া বাকি আছে, নির্বিকার স্বচ্ছলতায়? ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

উইঙ্কল টুইঙ্কল সিনেমা নিয়ে কিছু কথা

উইঙ্কল টুইঙ্কলকে সিনেমা বানাতে গেলে প্রথম যেটা অবধারিতভাবে অনেকের মনেই আসে, সিনেমা কি নাটকের সেই দমবন্ধ অস্বস্তিকে, অভিনয়ের তীক্ষ্ণতাকে ছাপিয়ে যেতে পারবে? অনেক তাত্বিকেরা বলেন, সঙ্গত কারণেই বলেন, তা কেন? সিনেমাকে নাটককে ছাপিয়ে যেতে হবে তার দায় কে নিয়েছে? আর, এই তুলনাটাই তো অবান্তর। দুটো আলাদা মিডিয়াম। সিনেমার অভিনয় নাটকের থেকে আলদা, দৃশ্যনির্মাণের নিয়ম আলাদা। ক্যামেরা অনেক সূক্ষ্মতাকে ধরে বলেই তাকে কোনোভাবেই নাটকোচিত হলে চলে না। তাই,এটা আপেলের সাথে আপেলের তুলনা হচ্ছে না। আমার কথা অন্য জায়গায়। আমি যদি একজন সাধারণ দর্শকের দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবি, তা হলে প্রশ্নটাকে একটু অন্যভাবে করা যাক। ধরা যাক, আমি নাটক ও সিনেমা দুটোই দেখতে ভালোবাসি। অনেকদিন দেখার নিরিখে, খানিক পড়াশুনো করে আমার দুটো মাধ্যম সম্বন্ধেই একটা খুব গভীরভাবে না হলেও, কেন একটা নাটকের কোনো মুহূর্ত আমার ভালো বা খারাপ লাগছে, কেন একটা সিনেমার একটা চরিত্রায়ণকে মজবুত বা অগভীর মনে হচ্ছে, সেটাকে অন্যান্য কাজের পাশাপাশি রেখে একটা তুলনামূলক আলোচনা আমি আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে করতে পারি। এবার, মোক্ষম সমস্যাটা এখানেই আসবে। প্রশ্নটা আর নাটক বনাম সিনেম...

উত্তর সাজানো কবিতা

১ যেটুকু যেখান থেকে পাওয়া, সেইটুকু নিয়ে আমি আজকাল বসি। সকালে কাগজ পড়ি, নিরর্থক আর, হাওয়া দেয়। সব তোলপাড় করে দেওয়া হাওয়া। ২ মন মনে হয় আপাতত বসতে পেরেছে।  এতদিন কী যে ছিল! এ দলে, ও দলে আর বিরুদ্ধতার স্বর শুঁকে নিলে, হঠাৎ বিষম ক্ষেপে বলে দিত – হয়ে যাক, তুলকালাম? নারদ‌‌ নারদ? তিন নম্বর কই গেল?  কই গেল তিন‌ নম্বর? ৩ এখন কি রাত্রি হয়েছে? তাহলে শোনো, বসো। বলা যাক যা যা কিছু সকালেতে বলবার নয়।  বললে, এ বরাভয় মুদ্রার আঙুল খসে যাবে।  আর, তখনই বেরিয়ে আসবে রাহু, আমাদের জন্মে শনির দশা, গুরুচণ্ডালী। এটুকু নিজের থাক।  আরে, ছাড়ো, ছাড়ো। চুপ্! তুমি এসো, জুড়িয়ে বোসো তো। শোনো, অমলেট খাবে? ৪ তুমি যেই উর্বর হয়ে গেলে,  সে দুপুরে জ্বর এল খুব।  এমনটা কেন হয়? বলো, বলো? যেই হয় মুহূর্ত-সমাধা, কাছাকাছি ঠোঁট, প্রমোশন, কেন সেই বেমক্কা পেয়ে বসে অভিমানী আমার অসুখ? ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হ্যালুসিনেশন?

আর একবার মদ ছুঁলে মরা মুখ দেখবি আমার – মা বলত। তাই, প্রতিবার পাপ অভিশাপ সব ছাগলে মুড়িয়ে দিয়ে ও ঘরেতে দেখি, শুয়ে তাজা লাশ, মায়ের পঁচিশ। মুখ থেকে কষ গড়িয়ে পড়েছে। হাতে অভয়া মুদ্রা, শুধু তর্জনী মুচড়ে দিয়েছে কেউ আমার দিকেই আহত সন্ত্রাসে। অথচ আমার চোখ অসম্ভব মুদ্রাদোষে সাহসীপনায় চকচকে, এখন তিরিশে। সকাল বিকেল, শুধু সকাল বিকেল ঘোরে, এই পথ, ওই পথ, সমস্ত পথ জানে, বিষণ্ণ ফুটপাথ মেনে নেয় তীব্রতা, লিভারের গ্লানি। আমার বিকেল, পাপ, আমাকে তো নিয়ে যাও, ওঁর কিছু অব্যবহিত আগে? ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬