বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের মধ্যে যেটুকু ব্যাবধান, অষ্টমী আর নবমীর সন্ধিপুজোর মধ্যেও তাই। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বেশ খানিকটা যেন বদলে গেল। তোমাকে এতদিন নিজের জানতাম, বন্ধু বলে ভাবতাম। এখন ঘনীভূত হচ্ছে সন্দেহ। এক মুহূর্তে মনে হচ্ছে, এতদিন তুমি যা ছিলে আমার কাছে, সেই ইতিহাসটা ভুল। তোমার একটা কথা, একটা আচরণ তোমার সমস্ত অতীতকে আমার কাছে ঘেঁটে দিয়েছে। পুজো নিয়ে আমাদের যে পাগলামিটা এই অষ্টমী অবধি চলছিল ছিল তার আলোটা এখন একটু নিষ্প্রভ। পুজো-পুজো ভাবটা তুঙ্গে ছিল; এবার হঠাৎ ফিকে হচ্ছে। মনে হচ্ছে, আর তো মাত্র একটা দিন, বা মেরে কেটে দেড়। সেসব না হয় একটু পরে হবে। আপাতত ভোর ভোর প্রস্তুতি। কারণ, অঞ্জলির সময় এবার অনেকটাই সকালে। স্নান, পাঞ্জাবি বা শাড়ি পড়া, মেক-আপ, এসব অনেক কিছু বাকি আছে। তারপর কোনোরকমে একটা পুজোর ছাপ কপালে লাগিয়ে, বাড়িতে এসে কবজি ডুবিয়ে অষ্টমীর সকালের খাওয়া। পুজো মণ্ডপ বাড়ির কাছে হলে আবার মণ্ডপে খানিক গল্প, আড্ডা, চোখে চোখের মত আরো খানিক নিভৃত বা প্রকাশ্য উদযাপন। দুপুরে লুচি ভোগ। তবে আমার প্রিয় পাড়ায় খিচুড়ি বা পোলাও, সাথে বেগুন ভাজা, একটু ঝুরি আলুভাজা, লাবড়া, সম্ভব হল...