Skip to main content

Posts

An Afternoon with Bernard in Park Street

  On several occasions, I wrote about how Park Street and its surroundings are going through a silent cultural degeneration. As a Brownigian optimist, I have no qualms in accepting the inevitable change which a few love to label as ‘the only constant. I have an augmented version of the story. For me, harmony is the only constant; coexistence is the only constant. This is what still makes Kolkata a liveable city, as my Messiah Anjan Dutt once wrote. Haripada, Mary Ann and Alibaba can live in the same locality despite any major strife. If any change signifies choosing something over the other, an evil over a lesser one, an imminent socio-economic disaster over an equilibrated identical existence, constantly attempting to get out of the comfort zone because there’s no limit to excel, I prefer not to take this route. I don’t adhere to a struggle which lets me down in the near term, doesn’t allow me to relish what I already have, and tires me when I am fifty because of its ephemerally i...

কীভাবে ভালবাসি?

কীভাবে ভালবাসি? অত বলে কয়ে নয়, জানান দিয়ে নয়। আড়ালে। অনেকটা নিজের মত করে। যখন ভালোবাসতে গেলেই ফেসবুক, ইনস্টায় জানান দেওয়া অপরিহার্য, প্রতি মুহূর্তে খবর নেওয়া অনিবার্য, ঘাড়ে ক্যামেরা ঝোলানো বা নিতান্ত একটা ফোনে নিখাদ ভালো ক্যামেরা থাকা একটা ন্যূনতম যোগ্যতার মাপকাঠি, তখনই তফাৎ-এ দাঁড়াব। রুমালে কপাল মুছে নেব গাড়ি কেনার মানসিক অযোগ্যতায়। হয়তো তুমি আজ কলামন্দিরে গাইবে। আমি জানাব না, যে আমি যাচ্ছি। কিন্তু যাব নিশ্চিত। এ সপ্তাহে নন্দন ৩-এ তোমার ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিং ছিল। তুমি জানতেও পার নি; আমি কিন্তু এসেছিলাম। চরিত্রের রসায়নগুলো বেশ জমেছে, হ্যান্ডহেল্ড শটগুলো তো বেশ ভাল। অথচ ক্লাইম্যাক্স জমে নি কিন্তু। আমাদেরও জমত না কোনদিন। আসলে কী বলত, ছিটকে পড়ছি। ক্রমাগত ছিটকে পড়ছি- আমাদের শ্রদ্ধার পারম্পর্যের থেকে, ভিন্নতার অধিকার থেকে, 'স্বপ্নে পাওয়া আঙুলের' আকর্ষের থেকে। কবিতা সিংহের কবিতার মত কোন বাসই এখন তেপান্তর কেন, নিদেন পক্ষে ময়দানেও যায় না। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে কোন লোকেরই কাছে পৌঁছে যাওয়া খুব সহজলভ্য। যে অভিনেতাকে বারো বছর আগেও দূর থেকে দেখতে, ভয় পেতে অটোগ্রাফ চাওয়া...

সহজে

  যে যাওয়ার সে যাবেই। সমস্ত বিকেল দিয়ে কমলা বিষাদ কীই বা তাকে আটকাবে? অথচ কী থেকে যাবে? আবেগ নিকষ, দীর্ঘতর সারসের ঠোঁট, তান্ত্রিকের করোটি, কালা জাদু, জিভেতে কোলভা বীচ, নুন চকোলেট, স্ট্রবেরী - আগুন। আঁকশিতে ধরে কী বা পাবে? যে যাওয়ার, সে যাবে। ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১

আরও কিছু নীতি-পুলিশ

  এইমাত্র সকাল হল। টগর গাছের পাতা বুড়িয়ে যাওয়া মানুষের আঙুলের মত কাঁপছে। কয়েকদিন আগেই কলকাতায় শরত এসেছিল। সেসব আর কী! এখন শুধু ঘোলাটে আকাশ দেখছে ভেজা কাক। ময়লা ফেলার গাড়ি আজ খালিই চলে গেছে। ঘুম ভাঙেনি আমাদের।পাড়াতে নেড়া সবজির গাড়ি এসে পড়েছে আটটার আগে। আমার পঞ্চাশোর্ধ্ব প্রতিবেশিনী দরদাম না করে কোনদিন আলুও কেনেন না। কিন্তু তারও আজ দরদাম করার ইচ্ছে নেই বোধহয়। সবজিওয়ালা ভদ্রলোকেটি ওঁকে দু-একবার ডাকে। তারপর একা চলে যায়। আসলে কিছুই হচ্ছে না। কোন কোন দিন আশ্চর্য ঘটনাশূ্ন্য হয়ে যায়। আমাদের চারপাশের আওয়াজ, আলোড়ন, ট্র্যাফিক হর্ন, হাইওয়ের গুঞ্জন, রাস্তায় বিরোধীপক্ষের বিক্ষোভ - কিছুই আমাদের কাছে পৌঁছতে পারে না। অথচ, ঘটনাগুলো পৃথিবীতে হচ্ছে না, তা নয়। সবই নিয়মমাফিক ঘটে যাচ্ছে সময় সময়। ক্লায়েন্ট কলে চেঁচিয়ে যাচ্ছে সবাই, কারণ নতুন কোড কাজ করছেনা কিংবা আপগ্রেডেড ভার্সনে একগুচ্ছ bugs খুঁজে পাওয়া গিয়েছে,তাই। ওদিকে চেঞ্জ ম্যানেজারকে বাপান্ত করে চলেছেন প্রোজেক্ট ম্যানেজার। নবান্নের সামনে বিক্ষোভের রক্তের দাগ এখনও দগদগ করছে। অটো সেভ এনাবেলড্ না থাকায় দেড় হাজার লেখা শব্দ উড...

আমাদের অলীক জীবিকা

  কুকারের সিটির শব্দে মায়ের কথা মনে পড়ে। আমরা এখন জীবন্ত দুপুর - কোলস্য স্যান্ডউইচ, একটু কফি বা ম্যাগীর সুবাদে খুব লায়েক হয়েছি। এক একটা সবুজ আলোয় সকালে পাতে ছিল, অলীক এ সাদা ডিম কমলা, গায়ে অযত্নে খোসা- আলুর আদর ঘিয়ে মাখো মাখো জিভে সাপটে খাওয়া। এখন চিবোনো অথবা কি গেলো ... যা গেল, অন্ত্রে- পাকে বিপন্ন পাকস্থলীর আঁচে তা কি সমস্ত গেল? ২০ অগস্ট, ২০২২

হরিদ্বার - বুকে চিনচিনে ব্যথা

  এক একদিন এমনভাবেই আসে। রাস্তায় অযথাই সন্ধ্যেবেলা নান্দনিক গীটার বেজে ওঠে। বুকে চিনচিনে ব্যথা মনে করিয়ে দেয়,নতুন বছরের resolution ছিল, মদ খাওয়া কমাতে হবে। দিনে মাত্র দুটো সিগারেট, ব্যাস! পাশের টেবিলে যে দু'জন বসে আছে আজ ম্যাগস্-এ ওরা কি থাকবে কোনদিন এক ছাদের তলায়? অ্যামদাবাদ ছেড়ে আমেদাবাদ উচ্চারণ করতে শিখবে অতর্কিতে এই মেয়ে? বাঙলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায় কথা বলবেন কোন মিডিয়া চ্যানেলে এদের নিয়ে? পার্ক স্ট্রিটে সন্ধ্যে হলেই মনে পড়ে, কাল গণেশ পুজো। এখনও Accenture Kolkata বিশ্বাস করে, এইদিন floating leave অর্থাৎ ইচ্ছেমত ছুটিই যথেষ্ট। আমার পাড়ায় বেনিয়া সংস্কৃতির ও যাদের কালো টাকা লুকোতে ধর্মের আশ্রয় নিতে হয়, সেই লুম্পেনরা এটুকুই ভাবেন যে, গণেশই তাদের প্রাথমিক দেবতা। একসময় এ পাড়ায় তিনদিন ধরে আমরা সরস্বতী পুজো করতাম, গানবাজনা করতাম,কবিতা পড়তাম। সংস্কৃতে "আদিপূজিত পাদপংকজমাপদামপঘাতকম্" গাইলেই তখনই শিশু-কিশোর এরা বলত, "ভাই, একটু বলিউড হোক।" দীর্ঘসূত্র দিন, দুপুর, সন্ধ্যের অলীকযাপন। গতকাল রাতে হরিদ্বার থেকে ফিরেছি। যেখানে মাসে দুবার গেলেও মনে হত, হর...

Feminism

  গান শেখাতে গিয়ে অনেক সময়ই বলে থাকি যে তোমার গানের গলা আর কথা বলার গলার আওয়াজ- এ দুটো যতটা কাছাকাছি হতে পারে, ততই ভাল। তাতে কানের আরাম, প্রাণের আরাম। কিন্তু এ কথা তো ঠিক, কোন কিছু শিখতে গিয়ে আমরা সেই মানুষটির কাছাকাছি হয়ে উঠতে চাই যাকে আমরা শ্রদ্ধা করি ; যার থেকে সত্যি কিছু শিখি। আমরা তাঁকে দেখাতে চাই অজান্তেই, যে আমরা তাঁর সমকক্ষ হয়ে উঠতে পেরেছি কিংবা নিজেকে এই বিশ্বাসে ভোলাতে চাই হয়তো। আজ বিকেল বেলা হাঁটতে বেরিয়ে ছিলাম যথারীতি। বাঘাযতীন স্টেশনের প্লাটফর্মের উপর দেখলাম এক অদ্ভুত ব্যাপার। প্রায় ৫০ মিটার ব্যবধানে বসেছেন দুই সবজি বিক্রেতা। একজন মাঝ বয়সী পুরুষ হেঁকে চলেছেন, ''১ কেজি ১০ টাকা, ২০ টাকা -- ১ কেজি ১০ টাকা, ২০ টাকা'' আর কিছুক্ষণ পরপরই প্রায় একই রকম গলার একটা প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে অন্য সবজি বিক্রেতারটির কাছ থেকে। আমি প্রথমজনকে পেরিয়ে এগিয়ে যেতে যেতে দেখি, সামনের সবজি বিক্রেতাটি পুরুষ নন, তিনি মহিলা। তিনি এক নাগাড়ে পাল্লা দিয়ে হেঁকে চলেছেন প্রায় অবিকল একজন পুরুষের গলার আওয়াজে। যখন লিঙ্গ বৈষম্যের কথা ওঠে, পুরুষদের নারীসুলভ কিংবা মেয়েদের টমবয়...