Skip to main content

Posts

The Warmonger Within

Meanwhile, in a café in Kolkata, you get to think about the Russia-Ukraine war each time you step in. Meanwhile, Meta has its unbeatable AI to track your penchant for the news, videos and reels related to a crisis that is termed by some media houses as the Third World War. You are a sensible man. You believe in creating awareness. Meta knows you all. So does Insta and thanks to all the saved cookies and temporary files loaded in your device, you are fortunate enough to create your exclusive opinion-centric awareness. You see what you believe. And opinion means, as the autocrats would rightly say, what your opinion is. You have a neighbour who prefers to read the journals, newspapers and discuss how war is depleting the human condition during the lunch hour, dinner time or even at the local teashop. Since you are financially better off, why spend time at bazaar or shanties? “Come buy, come buy” echoes the twenty-firsttwenty first century goblin merchants somewhere around Deshapriya Park...

ভাগ্যলক্ষ্মী লটারী

  হাজার শব্দ লিখে হাতের গুলি দুটো একটু থিতিয়েছিল, আর এর মাঝে বলে কিনা, "সকালে দোকান দিতে হবে"। কী গেরোয় পড়া গেল, বাল! ওদিকে রাঘব দা আমায় তো ভরে ভরে দিল। এ মাসের হিসাব চাই ; টিকিটের কমিশন, আলো আর লাইসেন্স, ট্যাক্সের রশিদ। গতমাসে দুটো মাল সেকেন্ড প্রাইজ পেল হারামির জাত সব, আসেনি এখনও। আমার কী? ও বুঝুক। ছেড়ে দেব, সব ছেড়ে দেব। এই খাতা ছুঁয়ে বলি - এখনও লেখকসূচী প্রকাশ পেল না। বইমেলায় এবছরও কাটতি না হলে যা কাটার, কেটে দেবো আমিই। বাবুর জলের ব্যাগ, তোমার সরস্বতী চোখ - সব ছেড়ে দেব। কলার ধরে ছিল না‌? এবারেও ধরেই নামাবে। সব হিসেব হয়ে গেছে। দেখি কোন বোয়ালের বাচ্চা এবার থামাবে। ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

বাংলাতে বৌদ্ধিক শিল্পচর্চা হয় নি

  সারাবছরই নানা প্রসঙ্গে নিজের পরিচিতমহলে এই কথাটা বলি। গতকালই ফেসবুকে আমার একজন প্রিয় ভাষাশিল্পী, যিনি আদ্যোপান্ত আমারই মত একজন flaneur, চর্বিত-চর্বণের মত বলছিলেন ভাষা-সংস্কৃতি ও উত্তরাধিকারের বদলে যাওয়ার নানা কারণ। ওঁর লেখায় বারবার উঠে এসেছে একদিকে বাঙালিয়ানা আর অন্যদিকে কলকাতার নিজস্বতা কীভাবে বহুজাতিক সংস্থাগুলোর খপ্পরে পড়ে গত কয়েক দশকে ধীরে ধীরে এক 'সাংস্কৃতিক দেউলিয়া' (cultural bankrupcy) হওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে। অনেক তলিয়ে ভেবে তাঁর এটা মনে হয়েছে যে, এর পেছনে একদল শিল্পী, সাহিত্যিক এবং সংযোগমাধ্যমের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য প্রবলভাবে কাজ করেছে; শেষমেষ এরাই জিতে গেছেন। ভাষা দিবস এলে অনেকেই কথাগুলো বলেন; হয়ত এতটা গুছিয়ে বলতে পারেন না - প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন কিছু চটকদারি দুই লাইন, মিমস্, রিলস্ ইত্যাদি। কিন্তু বলেন। একদল গুছিয়ে বলেন আর একদল অন্যেরা বলেছে বলে সংযোগ বিস্তারকে (network effect) জোরদার করতে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি মাধ্যমে জনপ্রিয় হওয়ার প্রয়োজনীয়তার তাগিদে বলেন। কিন্তু কেউ 'কেন এটা হয়েছে'- সত্যিই ভেবে বলেন কি? একদল বণিকগোষ্ঠীর মান...

সে স্পর্শ ভোলবার নয়

  পঞ্চগঙ্গা পাড় বেয়ে নেমে এল অপূর্ব আলো। পাতলা কুয়াশা, চাদরের মায়াবী নিবিড়, যা কিছু মিশকালো - এমনই মুহূর্তে প্রগাঢ় হয়। বন্ধুর আর্ধেক শরীরেতে লেগে থাকে আকন্ঠ জিভের স্বাদ, অলীক বা কিছুটা শাঁসালো। এমন পায়রা বুক, এমন জলেতে নিম ভেসে থাকে মণিকর্ণিকা, অসি ঘাটে এমন ত্বকের ফল দাঁতে কাটি - নিখাদে কখনও বা, কখনও তুমুল ও সপাটে। আমাদের মাঝে শুধু এক বুক দাঁড়িয়ে রয়েছে ছোটবেলা, শিশু, প্রশ্রয় - সামান্য বৃন্তে রাখি আঙ্গুলে আলতো ঢাল ; সে স্পর্শ ভোলবার নয়। ২১ নভেম্বর, ২০২১

দাগ ও গাছেদের ভাষা

  লক্ষ্মীমন্ত এক অপার সফেন‌ চোখ, বুকেতে আঁচর কেটে গেছ কপালে বলির ছাপ চব্বিশে। এসব প্রত্নস্বর, স্মৃতি। মনের বয়স বাড়ে,‌ শরীরেতে ক্লোরোফিল ঠোঁটের রিনিকে, তার লেশ-ও দূরত্বে দিলে না আজ।    দেবতা দেখেন মিটিমিটি আমার বর্ষালাপ, ভারাতুর রাত আর উজাগর ডায়েরীযাপনে কীভাবে উগরে দিই বিছানার স্বাদ আর প্লাবিত অকৃতকর্ম রতি তোমার সফেন সালোয়ারে। আরে বলি, "ওহে ঈশ্বর, পতিতপাবন‌ হে - এ সেতু সম্ভব হোক। তুমি তো জানোই, ও গো, গতির অধোগতি তোমাতে লিপ্ত হয়।"                                              নঞর্থ ভাবি তাই, বাইবেলে বেদবাক্য জানি আকস্মিক মিলে যাব এভাবে কখনও, দার্জিলিংয়ে, শীতে, কুয়াশা-লিপ্সিত। প্রতিধ্বনিত শুনি অলৌকিক প্লুতস্বর, নখদ হয়রানির দাগ - শুধু ব্রহ্ম জেনেছি : উজ্জ্বল হরিৎ কি বা পীত। ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

অতিমানবিক

  বন্ধুর মৃত্যুর স্বপ্নে জেগে উঠি। সকাল বাস্তবিক। ঘেয়ো, বুড়ো প্রত্যক্ষদর্শী আমি সাক্ষীভাবে দেখে গেছি, কেমন ওর মানবিক দেহ ছিঁড়ে খেল দৈত্যাকৃতি দুই নরক কুকুর। তখনও জীবন ছিল, কুকুরের সাথে পাঞ্জা ছিল। শেষদিকে সেও দেখাল তার শ্বাদন্ত, নখর-ব্যাদান। গলা ফুঁড়ে এল শ্বাপদের শীৎকার। মাকড়সার তন্তুর মত এ আওয়াজ - কখনও শুনিনি। ধরাশায়ী ঊর্ধ্বগামী মুখ, তাকে আরও জান্তব করে আমাদের জীবন বিন্যাস। আমাদের প্রাত্যহিকের গায়ে লেগে থাকে, সেই কুকুরের লালা। এ বছর মে মাসে দু'হপ্তা সিমলা যাব। ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

𝗨𝘀𝘁𝗮𝗱 𝗕𝗮𝗱𝗲 𝗚𝗵𝘂𝗹𝗮𝗺 𝗔𝗹𝗶 𝗞𝗵𝗮𝗻 𝗮𝗻𝗱 𝗥𝗮𝗴𝗮 𝗠𝗮𝗿𝘄𝗮

     Perhaps it was one of those afternoons when you still churn the sedimentary dregs of sleep post your power nap, relish the overdose of melatonin in your blood cells, and sense a profound desolation of indolence. You desperately need something around. Yes, you read it right - something. You don’t need someone, but probably the vision to handle your free will.      And then you call up your satirtha , disciple of the same guru. “Hey, bud! Game for spending some time with Marwa?”      He agrees.      Even after sixty years of His death, you reincarnate the combatant in you with his explanation of raga Marwa while noticing the agile swiftness from dhaivaat to komal rishav. You grasp the undeniable prowess of its dynamism. You stand on its every note and smell how tired and wretched the warrior sounds after a long unwilling battle, which was never meant to be his forte. He lost. But is all lost? ‘The study of revenge? The imm...