Skip to main content

Posts

A Poem about Guilt

The cat remains on the balcony. He has learned the exact length of shade cast by the railing at noon, the tremor of the neighbour’s footsteps, the slow arithmetic of hunger. His body fits the night the way a sentence fits its margin. I have kept the door closed for reasons that arrange themselves neatly when spoken aloud. Inside, the floor stays unscarred. The furniture forgets. Order persists. Sometimes, when the city thins into sirens and sleep, I imagine a sound interrupting the dark— wood meeting bone, a cry rising with the accuracy of memory. His eyes, I imagine, stay open. Not wide. Only fixed, holding the light from the window the way a basin holds water it cannot lift. The cry comes late. Thin. Accurate. In that instant, he would know the geometry of the house, the warmth pooled behind the glass, the shape of my name as something once useful. The balcony holds its breath. The night resumes its commerce. No door opens. By morning, there is only fur brushed against metal, and the...

বয়ঃসন্ধির কবিতা

যখন তখন মৃত্যু এসে পড়ে, গলাধাক্কা দেয়  (ভাগ্, ভাগ্) অক্ষরে, অক্ষরে। এই লাইনগুলোর দিকে তাকাচ্ছি। তাকাচ্ছি মধ্য কলকাতার এক পুরোনো পাবেতে, (নজরুল এখানে কখনও খেতে এসেছিলেন) পাশের টেবিলে। বৃদ্ধস্য তরুণী ভার্যা।  কারও চোখ সাকুল্যে চল্লিশ পায়না। এভাবে বাঁচতে হবে আশরীর, শরীরটুকুকে নিয়ে। যার কাছে আজন্ম ঋণী তুমি।  অথচ তিনি,  হ্যাঁ, হ্যাঁ, তিনি, যার তরুণী ভার্যা,‌ বৌদিবাজির আন্দাজে তাকাচ্ছিলে এটুকুই ভেবে, তাচ্ছিল্যতাস্বভাবতঃই টেবিল বদল করে নিল।  এবার বাড়িতে ফের, আর নিজেকে আজন্ম শুষে খাও, বল – কিছু কি দোষ আছে  এই আত্মহননেচ্ছা স্বভাবে? ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬

মোক্ষলাভ

আমার বড় হওয়া মানে এক একটা ভুল পেড়ে পাওয়া। স্প্লিট স্ক্রিন, মাল্টিপারপাস স্কুল ছেড়ে বসের‌ মাল্টি টাস্ক, - কোনকিছু গুছিয়ে হল না। এতদিন বুঝতে পারি নি, দুটো স্ক্রিনে ওরা কীভাবেতে অনর্গল বকে যেতে পারে। মাথা দুটো নাকি? অথচ, এটাই করি - আউটলুক, টিমস্ কলে। ওদিকে debug জারি, বোবা বোবা এদিকে, কে যে আবার কলে টেনে নিল! ঢুকে যাব? অন্তর্বাহিনী স্বর, বলো, বলো কোথায় পালাব? জখম মেট্রোতে তুলি বিমর্ষ বাহিনী। মোবাইল গোঁজো, কানে, পেছনেতে, সব ফুটো আটকে এবার তবে উটপাখি হও। সও, প্রমা, অপারগ কুমার, জানো, অর্থই ভূমা? ২০ জানুয়ারী, ২০২৩

সিংহাবলোকন

সেভাবে দেখতে গেলে, এরকম কবিতা, জগাখিচুড়ি, নিতান্ত অবৈরী, অনর্গল লিখে যাওয়ার কোনো মানে‌ নেই। বিড়ম্বনা প্রচুর আর, বিলম্ব প্রকাশে। তবে, অস্বচ্ছ  অনাড়ম্বর, বিমূঢ় বিস্ময়ে বা বিনিত অভ্যাসে এরকম শব্দ লিখে গেছে তেমন মানুষের অভাব নেই। জীবনানন্দ ধর। মৃত কবি ; কবিতা সঞ্জীবনী। অথবা, ঈশ্বর গুপ্ত, ব্যাপ্ত চরাচর, থুড়ি, রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী, এ সমস্ত বৃক্ষরাজি, বাংলা কবিতা বিবর্তনে আজই এই মুহূর্তে কিই বা দেবে, একত্বে বা জুড়ি? এই মূহূর্তে, সমস্ত বৃক্ষরাজি ব্যাপ্ত চরাচর, থুড়ি বিনিত অভ্যাসে লিখে গেছেন যেমন রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী। সেসব প্রকাশের বিড়ম্বনা নিয়ে  মানে নেই, এইটুক জেনেও বিলম্বিত প্রকাশে, এসব জগাখিচুড়ি কবিতারা অবৈরী, ফিরে ফিরে আসে। ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

Fog Is Not All Density

  Fog is not only density. A blurred-out vision,perplexed, unsure, hands groping toward the next living being, makes us human in the fog. A connection, a voice that bursts yet somehow bleeds, a spooky love appearing out of blue, a croon, a touch unforeseen—a clue rising through the brain’s soft haze, the next unborn line breaking through when the fog is finally gone. Yet last time, our fleet,our honeymoon, a mass cancellation of flights in fog occurred that dead October. I screamed and struck the coffee table, as though the blow could turn you cold and blue. We parted ways when fog grew bleak, and nothing stayed but one long shriek. 7 December, 2025

খিদে

  পরিপক্ব একটি প্রশ্নের পাশে বসে থাকে পরিপূর্ণ বৃক্ষের একটি ফল জ্ঞানের সামান্য আগে। এই প্রশ্নটুকু হাতে আমি বেরিয়ে পড়ি, অনাবশ্যক কিছু খিদে, আর চিন্তাশীল গোলমেলে মন নিয়ে। নিজেকে সান্ত্বনা দিই - এ বিমল, এই স্বাভাবিক, এই আমাদের এক অর্গল বিমুক্ত মনের নিহিত অর্গ্যাজম, বা, স্বাধীনচেতনা। আমার বন্ধুটি শুধু বেমালুম আপেলের স্বাদে জিভ, ঠোঁট চেটে নেয়। ওর লালারসে তখনও হলহলে জারিত আমার প্রাক্তনী, আর তার আবক্ষ শীৎকার ধ্বনি। কারণ, জ্ঞান হওয়া মাত্র আমরা নিখাদ কুকুর এক কিংবা একাধিকে। ধিক্! আমাদের তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় অবাধ্য স্বভাব আর খাওয়ার চাহিদা। অনর্থ বিনিময় প্রথায় প্রথায় আমার ওকে তো খুব মনে পড়ে, আর শুধু দিনরাত খিদে পায়, অকম্মা আমার শুধু দিনরাত খিদে, খিদে পায়। ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

পাড়া ক্রিকেট

  নিয়ে আয় খেলোয়াড়ি বল, উড়ুক তুফানে উইকেট‌; আগেভাগে পিচটিচ ঠিক কর তোরা – আমার উদ্যানে। বাড়ির সামনে চেঁচা উত্তাল - "ভাই, ভাই ওটা পায়ে‌ লেগেছিল", ভেঙে ফ্যাল আমাদের নিশ্চুপ পাড়ার বিকেলঘুম, নিজের দিকেতে শাসানির চারটে আঙুল, আর বিরুদ্ধতার তর্জনী। আমাদের শীতকাল, বয়স বিরুদ্ধতা জুড়িয়ে উঠুক, জুড়িয়ে উঠুক সব বন্ধুতা বিচ্ছেদ, চাকরির অপলাপ এইচ-আর সালিশী সভা; আর জুড়িয়ে তুবড়ে দে, দে তো‌ দেখি, হিংসুটে দৈত্যের বাগানেতে অপ্রতিম কাঁটাগাছ, আর ভেতরেতে নুয়ে পড়া করুণ জবা। মধ্যবয়সে যারা বুড়ো ভাম, ভীমরতি প্রাপ্তির সামান্য দূরে – এটুকু মানতে পারি, আমাদের বাপ, মা, কাকারাই পাড়ায় পাড়ায় আদরে, বেনামে, কালো টাকা আর সবুজ উদ্যানে, ফেলেছে সিন্ডিকেট, নির্মিয়মাণ ফ্ল্যাট, ফণীমনসার কাঁটা বেড়ার স্তবক। এখন বিকেল হল। আমার পাড়াকে তোরা টেনে আন উদ্যানে। আমাদের আওয়াজের ভদ্রতা ভয়টুকু ব্যাটেতে, বলেতে নাচা- "আউট, আউট"। শেখা ঢের বাকি আছে নীতি বা সবক। ২৯ নভেম্বর, ২০২৫