Skip to main content

Posts

A few words about this morning

  Morning brings a myriad of possibilities. But for very few, it is also a moment of unmovable restraints. Same blank page. Same daily chores without improvisation. Same widening alternatives that could be juggled, put astray, and then arranged like a jigsaw puzzle, but always kept abandoned to grow into an untouchable void. It is a moment of silence and chaos. Silence within, chaos in the world that hustles into a busy day, keeping the UPI or cash transactions running. Unwanted pieces of incomprehensible shouts of construction workers, car honking without traffic in sight, inadvertent garbage bags thrown from a running bike on narrow lanes— each intensifying the tragedy of the common. Every single intruder, outside or imagined, tells you that entropy will reign despite your best efforts to bring order. I have a theory of the world; so do you. But each is so self-centred, so strongly instilled with confirmation bias, so obliquely narrated to us by our parental genes and social surr...

দোলাচল যাত্রা

যেই না রাত্রি হয়েছে, আমার মনে পড়ছে সেই বুড়ো কুকুরের কথা যে আজও পাড়ার মাসির মত দেখে খেঁকিয়ে ওঠে – বলি, আজও এ পাড়ায়? পথ ভুলে নাকি? প্রতিবন্ধকতার আজ বাংলা হয় না, তাই আজন্ম বাংলা খোঁড়া ওরা মেট্রো ফলকেতে "দিব্যাং যাত্রী" বলে চালিয়ে দিয়েছে। এখন অবধি যা যা বোঝা যায়, মেয়েদের পটিয়ে, ওহে পটিয়সী, লাভ নেই কোনো। বরং, ব্রো - টেক্ লভ – এসব আবালপনা  ঢের ঢের, দেড়গুণে ভালো। দেখছ না, খুঁড়িয়ে চলেছি,  তবু দেখ দেখ,‌ গোল্ড মেডেল পাওয়া চোদ্দ আনার রং মুখে-ঠোঁটে লেগে আছে। এত সহজেই তুমি রাস্তায় কলার, গালেতে লাল  ছুঁয়ে দেবে? ওসব হবে না, আবুলিশ্। সাবধান, ওয়ে ওয়ে। তফাৎ! তফাৎ যা! পুলিশ ডাকব? বল? ডাকব পুলিশ? ৪ মার্চ, ২০২৬

অনাদায়

  ১। যে আঁচেতে পুড়ে যাওয়া একটু একটু করে, সে আগুন তোমার তো নয় জানি। তবে? বসুধা কুটুমবাড়ি, অতএব পুড়ে যেতে হবে। কোথায় জ্বলছে পেট, কোথায় চাকরি, বাড়ি, যেদিকে তাকাই সবাই ছুট্টে আসে, জন্মপঞ্জি নিয়ে। মা বাবার পরিচয় চায়। ওরা বলে, দেখছ না? একই তো পেটের ফল। আর বল্‌, পাপ নিবি কি না? এই পাপ আমাদের একা করে কোন খাদে নিয়ে যাবে, এখনও জানি না।       ২। এমন করলে কেন? বুঝেছিলে মৃত্যু আসীন? এ প্রশ্নে একটি রক্তবাণ বিদ্ধ করে, সমস্ত দিন, সমস্ত রাত নির্ঘুম। দিনে রাতে পেয়াদার ডাক, আড়ং ধোলাই আসে আকাশকুসুমে, থাক থাক, আর মেরো না খোদাতালা, প্রভুর দাসেরে। বল সুবিনীত হবে? হব, তবে তোমার জন্যে এই টক্সিক উপোস-কানুন নেশা জানিনা কিচ্ছুটি, শেষ হবে কবে।     ৩। নিজের দূরাত্মীয়, সেই হল এখন প্রথমা। ভেবেছিলে সেটাই দায়িত্ববোধ। একবার হাত পাতলে সেই হাত ফিরে ফেরে, সেটা জানতে না বুঝি? বলেছিল তোমার আত্মজ। আসল আত্মীয় কে? অন্য কেউ? দুরাত্মা? জারজ?     ৪। এটুকু কিছুই নয়। ঢের বাকি আছে। সামাজিক অপমান , পুলিশ , আদালত , পাড়াছাড়া। র...

বৃষ্টিদিন

  অস্তিত্বের দিন যায়, এমনই তো যায়। ফেব্রুয়ারীর শেষ, সকাল এগারোটা। ভোররাতে একচোট ভালোমতো বৃষ্টি ঢেলেছে। এখন কফির মাগ, বাজার ঝাড়াই করা চারমিনার, আর, চাদর, কোলবালিশ, প্যারিস রিভিউ – অস্তিত্বের দিনমান এমনই তো যায়। আরো কিছু কালো করে এল। বাজারেতে ঝগড়া থেমেছে। সস্তায় পাঁচশ দশ, সবজি বাজার। একা ভেজা মার্জার গা চেটে চেটে শুধু নিজের অস্তিত্ব চায়, বিকল তাকায়। সে মুহূর্তে হঠাৎ হাড় হিম। আমিও কপচে নিই শূন্যপন্থা, ইতিহাসে নিজেকে আনখশির ভাবি স্বঘোষিত নীৎসে। আরেকটা মেঘলা দিন, পরিযায়ী বিষাদ আলো শিরায় শিরায়। অস্তিত্বের দিন যায়, অঘোষিত, এমনই তো যায়। ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

Love

  And when I go back to the conversations we had, should I infer that I was harsh and biased? Not yet, perhaps? It was amidst those rainbow morning I loved you. The bear went out for honey-hunting Like a flattened sad A minor chord I drank the nectar And the chocolate sauce dripping from my Decadent lips Like the summer amidst the Thar And you My breath Harnessed all our visceral loneliness with the strike Of your un-dictated vocal fret It was summer It was a summer eve in Khajjiar. And evening crept in As I stroke another dubious chord 23 February, 2019

অনবসরের কবিতা

  দীর্ঘ জীবন ভালো ; দীর্ঘ জীবিকা হওয়া ততখানি নয়। তবু পেটের দায়েতে আর ওষুধের দায়ে তুমি আজীবন চলে যাও, নিজেকে আশ্বস্ত করে, সেইসব বেপাড়ায় যেখানে দায়েতে শুধু মনটুকু বিমা করা যায় না এখনও। ওদিকে স্বাস্থ্য আর জীবনবিমার খাতে এ বছরে খরচ বেড়েছে। তোমারও তো ষাট হল। এখন সন্ধ্যে মানে চাদর, বালিশ আর ঊর্ণনাভের মত বিছানা জড়ানো। রাতেতে সেদ্ধ ভাতে আলুনি আলুর ধমকানি – আজকাল ভুলচুক বেশিই হচ্ছে। দীর্ঘ জীবিকা ভালো নয়, ভালো নয় ভুলে যাওয়া নালিশ খাতায় কিছু এন্ট্রি এসেছে এই মাসে। জীবনে এও হল? হে ঈশ্বর! আর কত গালেতে চালিয়ে যাবে অদেখা আঙুলছাপ? আর কত জীবন-জীবিকা বাকি আছে? ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

অনর্থকী

কাগজ,‌কলম – সাদা বালিশও অস্থির, আর চুল এলোমেলো।  প্রয়োজন নেই আর কবিতার স্নিগ্ধতা। রুটি আসে নিয়মিত পাড়ার হোটেল থেকে,  ডিমের কারি। এটুকুই প্রয়োজন। সময়েতে স্নান, খাওয়া, চেরা চেরা অনুর্বর ঘুম, নিরাসক্ত লেখনী। এই নিয়ে ক বছর হল, কাগজেতে, ম্যাগাজিনে একটাও কবিতা লেখো নি? ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬